জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দায়ের করা দুটি রিট পিটিশনকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও আইনজীবী শিশির মনির।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের ইন্ধনে তড়িঘড়ি করে দুই আইনজীবীর মাধ্যমে এই রিট দায়ের করা হয়েছে। সোমবার রাতে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
শিশির মনির বলেন, “একটি রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫ ও সাংবিধানিক সংস্কার সভার শপথকে অসাংবিধানিক ঘোষণার দাবি করা হয়েছে। অপর রিটে গণভোট অধ্যাদেশের ধারা-৩ এবং জুলাই সনদকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা চাওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, গণভোট ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে এবং জনগণ তাদের মতামত দিয়েছে। এখন প্রশ্ন নয়, গণভোটের ফলাফলকেই চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে। আদেশটি নভেম্বরে জারি হলেও ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে রিট না করে সংসদ অধিবেশন পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়নি কেন—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।
শিশির মনির সতর্ক করে বলেন, অতীতে আদালতকে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করায় বুমেরাং হয়েছে। রাজনৈতিক বিষয় আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করতে হবে, আদালতের কাঁধে দায় চাপিয়ে সংসদকে পাশ কাটানোর চেষ্টা ঠিক হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন বসছে। এসব বিষয় নিয়ে সংসদেই আলোচনা হওয়া উচিত। আদালতের রায় দেখে পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।