রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
তেজগাঁও অফিসে এসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় তারেক রহমানের  মার্চের মাঝামাঝি সংসদের প্রথম অধিবেশন, ইঙ্গিত সালাহউদ্দিনের  আত্মসংযমেই ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়া সম্ভব: মির্জা ফখরুল  পুরোনো মুখের সঙ্গে নতুন চমক, বড় মন্ত্রিসভা ঘোষণা  ৩০ বছর পর মন্ত্রীত্বে ফেরা নিতাই রায় চৌধুরী, নতুন দায়িত্ব সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়  তারেক রহমানের হাত ধরে পরিবর্তনের পথে বাংলাদেশ  নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন যাঁরা  নতুন মুখে ভরপুর ত্রয়োদশ সংসদ, ৭৬ শতাংশই প্রথমবার  প্রথমবার এমপি হয়েই মন্ত্রিত্ব পেলেন আরিফুল  ছোট পরিসরের মন্ত্রিসভা, গুরুত্ব পাবেন প্রবীণ-নবীন সমন্বয় 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক পরিবেশ ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক’।  তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “আমরা একটি অত্যন্ত ভালো, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চাই।”  আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইজাবস বলেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলা অধিকাংশ মানুষই এই নির্বাচনকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ‘একটি নতুন অধ্যায়’ হিসেবে দেখছেন।  তিনি আরও বলেন:  ইজাবস জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ থাকবে।  তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা নিরপেক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। আমাদের লক্ষ্য একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন।” 

ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার আজ বুধবার সকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির উচ্চপদস্থ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। আগামী জাতীয় নির্বাচন, সংস্কার প্রক্রিয়া, গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে, যা বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে।  বিএনপির প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। এই এক ঘণ্টা দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে বিএনপি নেতৃত্ব ইইউ-কে জানিয়েছে যে, আগামী নির্বাচনের জন্য জরুরি প্রস্তুতি এবং সংস্কারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। মিলারও নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইইউ-এর সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।  সাক্ষাতের পটভূমি: নির্বাচন ও সংস্কারের আলোচনা  বিএনপির পোস্ট অনুসারে, এই সাক্ষাৎকারটি ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি নেতৃত্ব জানিয়েছে যে, দেশ অগ্রসর হয়েছে এমন একটি সময়ে গণতান্ত্রিক রূপান্তর অপরিহার্য, এবং ইইউ-এর মতো অংশীদারদের সহযোগিতা সংস্কার এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহায়ক হবে। মাইকেল মিলারও এই আলোচনায় ইইউ-এর সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন, বিশেষ করে নির্বাচনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে।  এই সাক্ষাৎকারটি ইইউ-এর সাম্প্রতিক কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। গত জানুয়ারিতে মিলার বিএনপির সঙ্গে সাক্ষাতে নির্বাচনী রোডম্যাপ এবং সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেন, যেখানে বিএনপি জোর দিয়েছে যে, অগণতান্ত্রিক শাসন দীর্ঘস্থায়ী নয়। অক্টোবরে তিনি জুলাই চার্টারের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এটিকে “রাজনৈতিক ঐক্যের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক” বলে অভিহিত করেন। জুনে তিনি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতে “স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার”ের আশা প্রকাশ করেন। মে মাসে তিনি বলেন, ইইউ সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহায়তা দিতে প্রস্তুত, কিন্তু নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে মতামত দেওয়া তাদের ভূমিকা নয়।  …

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার বিরোধিতা করার অভিযোগ করেছেন। তিনি দলগুলোকে গণতন্ত্রের পথে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘আপনারা আসুন, একসঙ্গে আমরা একটি নতুন রাষ্ট্র নির্মাণ করব। আগামী সংসদ গঠন করব, যে সংসদে আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির নামের অস্তিত্ব বাংলাদেশে থাকবে না।’  আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিএম ভবনে ‘মাজার সংস্কৃতি: সহিংসতা, সংকট ও ভবিষ্যৎ ভাবনা’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে সুফিবাদী প্ল্যাটফর্ম মাকাম। সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।  নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দেওয়ার দাবি নিয়ে আজ এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে গিয়েছে। তাদের মূল দাবি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রদান ও অধ্যাদেশ জারি করা।  জুলাই সনদে যেন শেখ হাসিনার অন্যতম দোসর ও সহযোগীরা স্বাক্ষর না করে সে বিষয়ে জনমত গঠনের আহ্বান জানান নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। সনদে অধ্যাপক ইউনূসকে স্বাক্ষর করতে হবে বলেন তিনি।  …

জাতীয় রাজনীতি

দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধান হিসেবে এটি তাঁর তৃতীয় কর্মদিবস।  প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিনি সচিবালয়ে অফিস করেন।  প্রধানমন্ত্রী আজ শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছান।  কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।  প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের সময়কার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কার্যালয়ের অনেক পুরোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে ডেকে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন।  কার্যালয়ে প্রবেশ করে প্রধানমন্ত্রী একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা রোপণ করেন কার্যালয় চত্বরে। তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।  এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলামসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  ডাকটিকিট উন্মোচন তারেক রহমান মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেন।  …

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য (বিএনডিএ) তার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির গঠন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের অনুমোদন অর্জন করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এক নতুন নেতৃত্বের সূচনা ঘটবে বলে সংগঠনটি প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে।  নতুন গঠিত কমিটিতে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে আহ্বায়ক এবং শাহ জোবায়েরকে সদস্য সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে।  এই আহ্বায়ক কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য হলো প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করা। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারায় বিশ্বাসী প্রবাসীদের সমন্বয়ে এই ১০১ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে।  সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আতিকুর রহমান রুমন নবনিযুক্ত সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করেন, প্রবাসী দেশপ্রেমিকদের ভূমিকা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কমিটি প্রবাসে একটি একীভূত জাতীয়তাবাদী মঞ্চ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।  তিনি আরও যোগ করেন, প্রবাসের তরুণ ও অভিজ্ঞ জাতীয়তাবাদী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি ভবিষ্যতে বিশ্ব মঞ্চে জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধকে আরও সংহত করবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দলের অবস্থানকে দৃঢ়তর করবে।  সংগঠনের উৎস থেকে জানা গেছে, তাদের নীতিবাক্য “জাতীয়তাবাদের চেতনায়, প্রবাসীদের ঐক্যে” এই প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন করে।  সংগঠন বিশ্বাস করে, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ কেবল একটি রাজনৈতিক দর্শন নয়; এটি আমাদের সার্বভৌমত্ব, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, গণতান্ত্রিক মূল্য ও ঐক্যের মৌলিক ভিত্তি। এই বিশ্বাসের আলোকে তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের একত্রিত করে একটি বিশ্বব্যাপী মঞ্চ গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত, যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সবসময় অগ্রাধিকার পাবে।  বিএনডিএ-এর প্রধান লক্ষ্য হলো জাতীয়তাবাদের চেতনায় প্রবাসীদের একত্রিত করা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সমর্থনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সম্মান উন্নত করা।  সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য বিশ্বব্যাপী বসবাসরত জাতীয়তাবাদী আদর্শে আস্থাবান প্রবাসীদের একীভূত একটি সংগঠন, যা দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবদান রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে কাজ করছে। 

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ

জাতীয় রাজনীতি

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ