বুধবার ৩ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
মায়ের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণে সম্মতি দিলেন না প্রধানমন্ত্রী  হঠাৎ মন্ত্রীর পদত্যাগ, সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন   দেশের রাজনীতিতে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তিনি   পল্লবীর শিশু হত্যাকাণ্ডে দ্রুত বিচার চায় সিপিবি   ‘দুই বছরের মধ্যেই ঠাকুরগাঁও-ঢাকা বিমানে যাতায়াত সম্ভব’   সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সরকারের প্রস্তাবে জামায়াতের আপত্তি   একক প্রার্থী নিশ্চিত করাই বিএনপির বড় চ্যালেঞ্জ স্থানীয় নির্বাচনে   শিক্ষা খাত ঢেলে সাজাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রস্তাব জামায়াতের   ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে বিএনপি’—জবিতে ছাত্রদলের প্রচারণা   যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ‘গোলামির মানসিকতা’ প্রকাশ: চরমোনাই পীর  

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে এলে রাজনীতিতে নতুন জোয়ার সৃষ্টি হবে—এমন মন্তব্য করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী নেতা-কর্মীদের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।  আজ শনিবার সকালে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। বিজয়ের মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় ঢাকা, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির নেতারা অংশ নেন।  ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, কর্মসংস্থানসহ আটটি খাতে কীভাবে কাজ করবে—তা নিয়ে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের জন্য ধারাবাহিকভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করছে বিএনপি। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতারা এতে অংশগ্রহণ করছেন।  নির্বাচন প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘এই নির্বাচনে জয় বিএনপির নয়; এই নির্বাচনের জয় হচ্ছে গণতন্ত্রের। বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রের টর্চবেয়ারার।’ দেশের বাইরে পরিচালিত একটি জরিপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, মানুষ বিএনপিকে ভোট দিতে চায় জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে এবং গণতন্ত্রের ধারক-বাহক হিসেবে দলের ভূমিকার কারণে।  ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনা প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। এর আগে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতির ওপরও হামলা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এ মুহূর্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও সহনশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায়।  দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বর্তমান রাজনীতি ‘মবোক্রেসির রাজনীতি’—অপরকে অসম্মান করা, ছোট করা এবং যেকোনো অজুহাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির রাজনীতি। এটা গণতন্ত্রের জন্য কাম্য নয়। বিএনপি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল রাজনীতির প্রত্যয় ঘোষণা করেছে এবং সেখান থেকে সরে দাঁড়ানো যাবে না।  হাবিব উন নবী খান সোহেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বক্তব্য দেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়া হায়দার, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক প্রমুখ।  আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির এ ধরনের প্রস্তুতি ও নেতৃত্বের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা রাজনৈতিক মহলে নতুন মাত্রা যোগ করছে। 

দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে এসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ৫০ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছেন, যেখানে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে মধ্যম সারির নেতা এবং তরুণ প্রজন্মের অনেককেই স্থান দেওয়া হয়েছে।  গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।  ৫০ সদস্যের এই নতুন মন্ত্রিসভার তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাষ্ট্র পরিচালনায় তিন প্রজন্মের নেতাদের সমন্বয়ে এটি গঠিত হয়েছে। অনেকেই জীবনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। মন্ত্রিসভায় নতুন মুখের সংখ্যাই অধিক। কেউ কেউ বয়স ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার তুলনায় ভারী দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। আবার কিছু নাম এমনও রয়েছে, যা খুব একটা উৎসাহজনক নয়।  বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্ত্রিসভায় শপথ নিয়েছেন। তাঁদের অন্তর্ভুক্তি প্রত্যাশিত ছিল।  তবে স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আবদুল মঈন খানকে নতুন মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি। শোনা যাচ্ছে, খন্দকার মোশাররফকে রাষ্ট্রপতি এবং আবদুল মঈন খানকে সংসদের স্পিকার করার আলোচনা চলছে। সম্ভবত এ কারণেই তাঁদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।  …

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।  আজ সোমবার মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সেগুনবাগিচায় ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তারেক রহমানের মনোনয়নপত্র জমা দেন ড্যাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ফরহাদ হালিম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।  দলীয় সূত্রে জানা যায়, দেশে ফেরার পর গত শনিবার তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। গুলশান, বনানী, বারিধারাসহ অভিজাত এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসন থেকে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে দলের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছিল।  ২০০৮ সালে ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরির সময় লন্ডনে থাকায় তারেক রহমান ভোটার হতে পারেননি। আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশে না ফেরায়ও ভোটার হননি। গত বছরের জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হওয়ায় তিনি ভোটার হয়ে প্রার্থী হচ্ছেন।  তারেক রহমান ঢাকা-১৭ ছাড়াও পৈতৃক এলাকা বগুড়া-৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন। ইসির তফসিল অনুযায়ী আজ মনোনয়ন জমার শেষ দিন, ভোটগ্রহণ ১২ ফেব্রুয়ারি। 

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম নির্বাচন কমিশনের নতুন সিদ্ধান্তকে “হঠকারী ও জালিয়াতির সুযোগ তৈরি করা” বলে তীব্র সমালোচনা করেছেন।  তাঁরা বলেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার অর্থ হলো:  হাসনাত আবদুল্লাহ (কুমিল্লা-৪ আসনে ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী) আজ সোমবার বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লিখেছেন:  “ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে ফোন ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও অ্যালাউড না। এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছা থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।”  …

জাতীয় রাজনীতি

 ঈদের আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে করার প্রস্তাব পাঠিয়েছিল প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তবে সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman।  ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন না করে প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে নামকরণের নির্দেশনা দিয়েছেন।  “নতুন নামকরণ করতে হলে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়তে হবে”— প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থানকে ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিতে নাম পরিবর্তনের প্রচলিত সংস্কৃতির বিপরীতে একটি ব্যতিক্রমী বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।  এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রণালয়ের পাঠানো নোটে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বদলে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করাই যুক্তিযুক্ত হবে।  এর আগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র Shahadat Hossainসহ পাঁচ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাবও অনুমোদন দেননি প্রধানমন্ত্রী। মশা নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম দেখতে ফ্লোরিডা সফরের প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  দেশেই কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। 

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে নেপালের সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের উল্লেখও এসেছে। এর পেছনে রয়েছে দুই প্রতিবেশী দেশের অভ্যুত্থানের সাদৃশ্য। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে উভয় দেশেই জেন-জি প্রজন্মের (১৯৯৭-২০১২ সালের জন্মগ্রহণকারীদের) নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থান ক্ষমতায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এরপর এক মাসের মধ্যেই দুই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  নেপালে নির্বাচনের দুই দিন পর গত শনিবার ফলাফল স্পষ্ট হলে রয়টার্স লিখেছে, বালেন্দ্র শাহর নেতৃত্বাধীন দলের অভাবনীয় সাফল্য বাংলাদেশের গত মাসের নির্বাচনের ঠিক উল্টো। সেখানেও ২০২৪ সালে জেন-জি অভ্যুত্থানের ফলে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাসকের পতন ঘটে।  নেপালে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) এককভাবে নির্বাচনে লড়ে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। এতে তারা পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। হিমালয়ের দেশ নেপালে অভ্যুত্থান ঘটে বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের এক বছর পর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। এতে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগে বাধ্য হন। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তত্ত্বাবধানে গত বৃহস্পতিবার সাধারণ নির্বাচন হয়।  অভ্যুত্থানকারীদের কাছে জনপ্রিয় বালেন্দ্র শাহ, যিনি র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ২০২২ সালে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন, এখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে। ৩৬ বছর বয়সী শাহ অভ্যুত্থানের পর আরএসপিতে যোগ দেন। এই দলটি ২০২২ সালে গঠন করেন রবি লামিছানে, যিনি টিভি উপস্থাপক থেকে রাজনীতিতে এসে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করেন।  প্রার্থী হিসেবে শাহ কাঠমান্ডুর এক আসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে বিপুল ভোটে হারান। ‘দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট’ অনুসারে, নেপালের ২৭৫ আসনের পার্লামেন্টে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ১৬৫ আসনের মধ্যে আরএসপি ১২৫টি জয় করে। ক্ষমতাচ্যুত কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিএন-ইউএমএল) ৮টি, নেপালি কংগ্রেস ১৮টি এবং নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি (এনসিপি) ৭টি আসন পায়। বাকি ১১০ আসন ভোটের অনুপাতে বণ্টিত হবে, যেখানেও আরএসপি এগিয়ে।  …

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ

জাতীয় রাজনীতি

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ