সোমবার ১৫ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
বেনজীর গ্রেপ্তার: সরকারের চেয়ে ইন্টারপোলকে কৃতিত্ব দিল জামায়াত   শিক্ষার মান নিয়ে সংসদে বিতর্ক, সিঙ্গাপুরের সঙ্গে তুলনা প্রতিমন্ত্রীর   সরকারি চাকরিতে নতুন সুযোগ, নিয়োগ পাবে ৫ লাখ মানুষ   এস আলমের গাড়ি বিতর্কে সংসদে মুখ খুললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   সীমান্তে ‘পুশ ইন’ ও হত্যা বন্ধে জোর দাবি ভাসানী জনশক্তি পার্টির   অপরাধের পরিসংখ্যানেই ফুটে উঠছে নিরাপত্তাহীনতা: রুমিন ফারহানা   নতুন অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন শুরু সংসদে   জ্বালানি নিরাপত্তায় তিন মাসের মজুত সক্ষমতা চায় বিশেষ কমিটি   মায়ের নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণে সম্মতি দিলেন না প্রধানমন্ত্রী  হঠাৎ মন্ত্রীর পদত্যাগ, সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন  

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের আলোচিত ‘থ্রি জিরো’ (শূন্য কার্বন নিঃসরণ, শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব) তত্ত্বের প্রবল সমর্থক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তবে …

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। আজ রোববার প্রদত্ত এক বিবৃতিতে তিনি এই নিন্দা প্রকাশ করেন।  যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গতকাল শনিবার সকালে ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির একাধিক শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। প্রত্যুত্তরে ইরান ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।  ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ইরান একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। সেই দেশের প্রধান নেতাকে নিজ বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে হত্যা করা প্রতিষ্ঠিত বিশ্বব্যবস্থার প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।  বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রেজাউল করীম বলেন, মার্কিন-ইসরায়েলি এই বর্বর আক্রমণ সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকে অগ্নিগর্ভ করে তুলবে এবং এর অভিঘাত বিশ্বের সকল দেশকেই স্পর্শ করবে। তাই এই সংঘাত অবিলম্বে বন্ধ করা একান্ত আবশ্যক।  বিবৃতিতে শোকাহত ইরানি জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির। 

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে শনিবার রাতে ইডেন মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। এ সময় তাঁরা প্রধান ফটকের তালা ভেঙে বাইরে বেরিয়ে এসে বিভিন্ন স্লোগান দেন।  রাত প্রায় ১১টার দিকে হজরত রাবেয়া বসরী ছাত্রীনিবাসসহ বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা একত্র হয়ে আন্দোলনে নামেন। তারা ‘ছাত্ররাজনীতির ঠিকানা, এই ইডেনে হবে না’—এমন স্লোগান দিতে থাকেন এবং ক্যাম্পাসে রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।  এর আগে সন্ধ্যায় কলেজ ফটকে লেখা ‘রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস’ শব্দগুচ্ছ মুছে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে বিক্ষোভে রূপ নেয়।  …

জাতীয় রাজনীতি

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান দাবি করেছেন, সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের গ্রেপ্তারে বর্তমান সরকারের কোনো কৃতিত্ব নেই; এটি মূলত ইন্টারপোলের সাফল্য। তিনি বলেন, বেনজীরের বিরুদ্ধে জারি করা রেড অ্যালার্টও বর্তমান সরকারের উদ্যোগে নয়, পূর্ববর্তী সরকারের সময় জারি হয়েছিল।  রোববার রাতে সিলেট সার্কিট হাউসে ১১-দলীয় ঐক্যজোটের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।  শফিকুর রহমান বলেন, বেনজীরের আটক বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে কি না, তা সরকারের সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করছে।  ভারতের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। পুশ-ইন ইস্যু সংসদে উত্থাপন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।  বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর এক বক্তব্যের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, সংসদে শালীনতা ও দায়িত্বশীলতার পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন। তিনি মন্তব্য করেন, সংসদকে ব্যক্তিগত আক্রমণ বা তুচ্ছতাচ্ছিল্যের জায়গা না বানিয়ে দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের কার্যকর মঞ্চে পরিণত করা উচিত।  বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিরোধী দল সংসদে মধ্যমপন্থী ভূমিকা পালন করবে, তবে জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষিত হলে রাজপথেও আন্দোলন চলবে। একই সঙ্গে তিনি সরকারের দায়িত্বশীল আচরণের ওপর দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেন।  বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এলেও সরকার জুলাই সনদের চেতনা ও গণভোটে পাওয়া জনগণের রায়কে যথাযথভাবে গুরুত্ব দেয়নি। তবে জাতীয় স্বার্থে এবং সম্ভাব্য অস্থিতিশীলতা এড়াতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফল মেনে নেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।  মতবিনিময় সভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। 

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে নেপালের সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের উল্লেখও এসেছে। এর পেছনে রয়েছে দুই প্রতিবেশী দেশের অভ্যুত্থানের সাদৃশ্য। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে উভয় দেশেই জেন-জি প্রজন্মের (১৯৯৭-২০১২ সালের জন্মগ্রহণকারীদের) নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থান ক্ষমতায় বড় পরিবর্তন এনেছে। এরপর এক মাসের মধ্যেই দুই দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  নেপালে নির্বাচনের দুই দিন পর গত শনিবার ফলাফল স্পষ্ট হলে রয়টার্স লিখেছে, বালেন্দ্র শাহর নেতৃত্বাধীন দলের অভাবনীয় সাফল্য বাংলাদেশের গত মাসের নির্বাচনের ঠিক উল্টো। সেখানেও ২০২৪ সালে জেন-জি অভ্যুত্থানের ফলে দেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাসকের পতন ঘটে।  নেপালে রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) এককভাবে নির্বাচনে লড়ে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছে। এতে তারা পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। হিমালয়ের দেশ নেপালে অভ্যুত্থান ঘটে বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের এক বছর পর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। এতে প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগে বাধ্য হন। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তত্ত্বাবধানে গত বৃহস্পতিবার সাধারণ নির্বাচন হয়।  অভ্যুত্থানকারীদের কাছে জনপ্রিয় বালেন্দ্র শাহ, যিনি র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ২০২২ সালে কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন, এখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে। ৩৬ বছর বয়সী শাহ অভ্যুত্থানের পর আরএসপিতে যোগ দেন। এই দলটি ২০২২ সালে গঠন করেন রবি লামিছানে, যিনি টিভি উপস্থাপক থেকে রাজনীতিতে এসে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করেন।  প্রার্থী হিসেবে শাহ কাঠমান্ডুর এক আসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলিকে বিপুল ভোটে হারান। ‘দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট’ অনুসারে, নেপালের ২৭৫ আসনের পার্লামেন্টে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ১৬৫ আসনের মধ্যে আরএসপি ১২৫টি জয় করে। ক্ষমতাচ্যুত কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিএন-ইউএমএল) ৮টি, নেপালি কংগ্রেস ১৮টি এবং নেপালি কমিউনিস্ট পার্টি (এনসিপি) ৭টি আসন পায়। বাকি ১১০ আসন ভোটের অনুপাতে বণ্টিত হবে, যেখানেও আরএসপি এগিয়ে।  …

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় দেশের জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা গড়ে তোলার সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  রোববার জাতীয় সংসদে ‘সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে’ গঠিত বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। গত ২৬ এপ্রিল গঠিত এই কমিটিতে সরকারি ও বিরোধী দলের পাঁচজন করে সদস্য ছিলেন।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার অত্যন্ত জরুরি।  বিশেষ কমিটির সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালু, অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, এবং এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি।  এ ছাড়া ঢাকা–চট্টগ্রাম পাইপলাইন, এসপিএম প্রকল্প এবং ইআরএল–২ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করা এবং তা কার্যকরভাবে তদারকিরও সুপারিশ করা হয়।  কমিটি তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ুশক্তি—সব খাতকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।  প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন।  অন্যদিকে বিরোধী দলের সদস্যরা আলাদাভাবে ১০টি সুপারিশ দেন। তাঁদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে জ্বালানি চাহিদা নিরূপণ, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার, কয়লার ব্যবহার বাড়ানো এবং দ্রুত ফলদায়ক গ্যাস কূপগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া।  বিরোধী দলের সুপারিশে আরও বলা হয়, টেকসই জ্বালানি নীতির জন্য বিশেষজ্ঞ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে।  …

সর্বশেষ

জাতীয় রাজনীতি

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ