রবিবার ৫ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
দেশের প্রতিটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, জানালেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী  জুলাই পদযাত্রার ৬৪ জেলার রুট প্রকাশ করল এনসিপি  ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার এখনই সময়: মির্জা ফখরুল  ইসলামী ব্যাংক থেকে ’৭১-এর ইতিহাস—বিভিন্ন ইস্যুতে উত্তাল সংসদ   কালের কণ্ঠসহ চার সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে এনসিপির অভিযোগ   সাইবার নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর  সাইবার সহিংসতা বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের আহ্বান রুমিন ফারহানার  প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট–পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয়ে নতুন বার্তা  তিস্তা প্রকল্পে আর দেরি নয়, বাস্তবায়নের বার্তা তারেক রহমানের  নতুন নামে নয়, আওয়ামী লীগের সব কর্মসূচিই নিষিদ্ধ: তথ্য উপদেষ্টা 

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ বিজয়ী হলে উত্তরার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সবার আগে সমাধান করা হবে।  গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উত্তরার আজমপুর ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। এর আগে তিনি গাজীপুর ও ময়মনসিংহে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছেন।  তারেক রহমান বলেন, উত্তরার মানুষ প্রতি মাসে বিল দিলেও গ্যাস পান না—এ অভিযোগ বহুদিনের। তিনি আরও বলেন, নতুন গ্যাসকূপ অনুসন্ধানে অতীতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ধানের শীষ জয়ী হলে নতুন কলকারখানা গড়ে কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে এবং মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তের জন্য উত্তরায় সরকারি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।  জলাবদ্ধতা নিয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘বিএনপি সরকার গঠন করলে জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান সবার আগে ইনশা আল্লাহ আমরা করব।’  পানিসংকট প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, খাল-বিল শুকিয়ে যাওয়া ও ওপারে বাঁধ নির্মাণের কারণে নদীর প্রবাহ কমে গেছে। এ জন্য বিএনপি ‘খাল খনন কর্মসূচি’ নিয়েছে, যার লক্ষ্য সারা দেশের পানির সমস্যা সমাধান।  তিনি আরও বলেন, লাখ লাখ শিক্ষিত ও অশিক্ষিত তরুণের কর্মসংস্থান নেই। কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ‘১৬-১৭ বছর আমরা শুধু গল্প শুনেছি, সমাধান পাইনি।’  সমাবেশের শুরুতে তিনি গুম ও খুনে স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘এই মানুষগুলো কেন স্বজনহারা হয়েছেন, তার সাক্ষী এখানে উপস্থিত সবাই।’ তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছর রাজনৈতিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা পরিবার হারিয়েছেন।  তারেক রহমান জুলাই অভ্যুত্থানে উত্তরার মানুষের বড় ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে উত্তরার অবদান ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে।  তিনি জোর দিয়ে বলেন, রক্ত, ত্যাগ ও কোরবানির বিনিময়ে দেশে পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তন ধরে রাখতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, কথা বলার স্বাধীনতা রক্ষা ও ভোটাধিকারকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো জরুরি।  তারেক রহমান নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলগুলোর একে-অপরের বিরুদ্ধে মন্তব্য না করে ঠান্ডা মাথায় মানুষের সমস্যার সমাধান চিন্তা করার আহ্বান জানান। 

“জামায়াতের টিকিট কাটলে জান্নাতের টিকিট কাটা হয় — কোথায় আছে এই কথা? কুরআন-হাদিসে দেখিয়ে দিক তারা!” বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শনিবার দুপুরে কাকরাইলে এক আলোচনা সভায় এভাবেই সরাসরি আঘাত হানলেন জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ব্যবহারের ধর্মীয় যুক্তির ওপর।  “ইসলাম কখনো বলে না ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা নিতে। এই কথাগুলো আজ জনগণের সামনে আরও জোরে বলা দরকার।”  ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের কেয়ারটেকারদের দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা’ শীর্ষক সভায় ফখরুল বলেন: “জামায়াত রাজনৈতিকভাবে দাঁড়াতেই পারছিল না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাদের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। IDL হয়ে এসেছিল, পরে বিএনপির সঙ্গে কাজ করেছে। কিন্তু গত ১০-১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে হটাতে তাদের দৃশ্যমান কোনো লড়াই দেখিনি।”  তিনি আরও বলেন, “শুনেছি তারা ছাত্রলীগের ভেতরেও ঢুকেছিল — ছাত্রলীগ সেজে কাজ করেছে। আমরা কখনো এমন গোপন খেলা খেলিনি। আমরা সামনাসামনি লড়েছি।”  …

জাতীয় রাজনীতি

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে শিগগিরই দেশব্যাপী ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং শিশু ও মহিলাবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, এই কার্ডের জন্য মানুষকে কোথাও যেতে হবে না; বরং সরকারের প্রতিনিধিরাই প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করবেন।  শনিবার দুপুরে রংপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।  বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ  মন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় প্রতিটি পরিবারের তথ্য সরাসরি বাড়িতে গিয়ে সংগ্রহ করা হবে। পরে সেই তথ্য কম্পিউটারভিত্তিক ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হবে।  তিনি বলেন, সব পরিবারই ফ্যামিলি কার্ড পাবে। তবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উপকারভোগী নির্বাচন হবে পিএমটি (Proxy Means Test) স্কোরিং পদ্ধতির মাধ্যমে। তথ্য বিশ্লেষণের পর কারা সরকারি সহায়তা পাওয়ার যোগ্য, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করা হবে। প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে তথ্য যাচাই-বাছাইও করা হবে।  মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১০ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে রংপুরসহ দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে।  পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন  এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প চালুর আগে দেশের ৫৮টি ওয়ার্ডে তিন মাস ধরে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।  …

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

 বেইজিং: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহযোগিতা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।  প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিকে বেইজিংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়, অন্যদিকে প্রতিবেশী ভারতসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কৌশলও অনুসরণ করছে।  বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বড় বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশি পণ্যের জন্য চীনা বাজারে আরও বেশি প্রবেশাধিকার দেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, শুধু প্রচলিত পণ্যের ওপর নির্ভর না করে রপ্তানি বহুমুখীকরণ জরুরি। এ ক্ষেত্রে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, মৎস্যপণ্য, কাঁচা চামড়া এবং ওষুধশিল্পের পণ্যের রপ্তানির সম্ভাবনার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি।  একই সঙ্গে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বিদ্যমান শিল্পকারখানার আধুনিকায়নে চীনের আরও সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এসব উদ্যোগ দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  চীনের শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে দেশটি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে উইগ তৈরিতে ব্যবহৃত মানবচুল। এছাড়া তুলার সুতা ও পাটজাত পণ্যও উল্লেখযোগ্য রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রয়েছে।  বাণিজ্যের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে বাংলাদেশি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।  চীন বৈঠকে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর (China-Myanmar-Bangladesh Economic …

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় ধরনের ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে জাতীয় সংসদে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪১৬ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি হয়েছে চীনের সঙ্গে, আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত।  সবচেয়ে বড় বাণিজ্যঘাটতি চীনের সঙ্গে, যার পরিমাণ ১ হাজার ৭৮৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। চীন থেকে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ১ হাজার ৮৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের পণ্য, বিপরীতে রপ্তানি করতে পেরেছে মাত্র ৬৯ কোটি ৪৪ লাখ ৯০ হাজার ডলারের পণ্য। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যঘাটতি প্রায় ৭৮৫ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ভারত থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬২ কোটি ৪১ লাখ ডলারের পণ্য, আর বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ১৭৬ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার ডলারের পণ্য।  সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও বাংলাদেশের বাণিজ্যঘাটতি উল্লেখযোগ্য, যার পরিমাণ ৩৫৮ কোটি ৯৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এছাড়া সিঙ্গাপুর, ব্রাজিল, কাতার ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে যথাক্রমে ২৮০ কোটি ২৫ লাখ, ২৪৫ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার, ২১০ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২১ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার ডলারের ঘাটতি রয়েছে। সৌদি আরব, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, মরক্কো ও জাপানসহ আরও বহু দেশের সঙ্গেও বাংলাদেশ বাণিজ্যঘাটতির মুখোমুখি।  ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর সম্ভাব্য শুল্ক সুবিধা হারানোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) ও জিএসপি প্লাস সুবিধা অর্জনের ওপর জোর দিচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এফটিএ আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে ইউরোপীয় কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টকে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা শুরুর অনুরোধ জানিয়েছেন।  তিনি আরও জানান, চীন ইতোমধ্যে তাদের ৯৯ শতাংশ ট্যারিফ লাইনে বাংলাদেশের জন্য শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত বাজারসুবিধা দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সরকার আশাবাদী।  বাণিজ্যঘাটতি কমাতে সরকার রপ্তানি বহুমুখীকরণের কৌশল গ্রহণ করেছে। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে, যা অর্থনীতিকে একক খাতনির্ভর করে তুলেছে। এ নির্ভরতা কমাতে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, ওষুধশিল্প, আইসিটি ও সফটওয়্যার সেবা, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং প্লাস্টিক খাতকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এসব খাতের রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রয়োজনীয় আদেশও জারি করেছে।  …

সর্বশেষ

জাতীয় রাজনীতি

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ