
গতকাল সকাল থেকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে ছিলেন একদল ব্যক্তি, যারা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করেন। ৩২ ঘণ্টা ধরে …
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ …
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম …
নির্বাচন নিয়ে অযথা শঙ্কা প্রকাশকারীরা …
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটে চার-পাঁচটি প্রশ্ন রাখার চিন্তা করছে। যেসব বিষয়ে বিএনপি-জামায়াতসহ বেশির ভাগ দল একমত, সেগুলো নিয়ে একটি প্যাকেজ প্রশ্ন হবে; আর সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সহ মৌলিক প্রস্তাবে বিএনপির ভিন্নমত থাকায় সেগুলো নিয়ে আলাদা কয়েকটি প্রশ্ন থাকবে। সরকারের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট করার বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। সরকার আশা করছে, এভাবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দলগুলো—বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী—তা মেনে নেবে। আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল গতকাল মঙ্গলবার বলেছেন, “সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, তা আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে পরিষ্কারভাবে জানতে পারবেন।” সংবিধান-সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাব: একমত-বিরোধের ভাগ-বাটোয়ারা জুলাই সনদে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সংক্রান্ত। এর মধ্যে অন্তত ৩০টি প্রস্তাবে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ বেশির ভাগ দল একমত। এগুলো নিয়ে গণভোটে একটি প্যাকেজ প্রশ্ন রাখার চিন্তা: …
দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে এসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ৫০ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেছেন, যেখানে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে মধ্যম সারির নেতা এবং তরুণ প্রজন্মের অনেককেই স্থান দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। ৫০ সদস্যের এই নতুন মন্ত্রিসভার তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাষ্ট্র পরিচালনায় তিন প্রজন্মের নেতাদের সমন্বয়ে এটি গঠিত হয়েছে। অনেকেই জীবনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। মন্ত্রিসভায় নতুন মুখের সংখ্যাই অধিক। কেউ কেউ বয়স ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার তুলনায় ভারী দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। আবার কিছু নাম এমনও রয়েছে, যা খুব একটা উৎসাহজনক নয়। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্ত্রিসভায় শপথ নিয়েছেন। তাঁদের অন্তর্ভুক্তি প্রত্যাশিত ছিল। তবে স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও আবদুল মঈন খানকে নতুন মন্ত্রিসভায় রাখা হয়নি। শোনা যাচ্ছে, খন্দকার মোশাররফকে রাষ্ট্রপতি এবং আবদুল মঈন খানকে সংসদের স্পিকার করার আলোচনা চলছে। সম্ভবত এ কারণেই তাঁদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমানসহ স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্যের নামও মন্ত্রিসভায় নেই। তবে মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানসহ ১০ জনকে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ করা হয়েছে। মন্ত্রী পদমর্যাদার অন্যান্য উপদেষ্টারা হলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সাবেক সচিব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবীর, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান, মাহদি আমিন এবং রেহান আসিফ আসাদ। তাঁদের মধ্যে শামসুল ইসলাম বিএনপির চেয়ারম্যানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ছিলেন। রেহান আসিফ আসাদ একজন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং বরেন্দ্র বহুমুখী প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা ড. আসাদুজ্জামানের ছেলে। মাহদি আমিন বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ছিলেন। গত রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত সংযোজন হলেন খলিলুর রহমান, যিনি অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। অতীতে কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরবর্তী সরকারে দায়িত্ব পাননি। খলিলুর রহমানকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যদিও তাঁর নিয়োগের সময় বিএনপির আপত্তি ছিল এবং পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কিন্তু তারেক রহমানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসের লন্ডন বৈঠকের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। এরপর থেকে খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিএনপির ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে আলোচনা চলে। তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন পরবর্তী সরকারে থাকবেন বলে কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন মহলে কথা উঠছিল। এই আলোচনার মধ্যেই নতুন সরকারে তাঁকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় ২৫ জনকে পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জনকে প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁদের দায়িত্ব বণ্টনের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্ত্রণালয়ের নামসহ এটি প্রচারিত হচ্ছে। …
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য (বিএনডিএ) তার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির গঠন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের অনুমোদন অর্জন করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এক নতুন নেতৃত্বের সূচনা ঘটবে বলে সংগঠনটি প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে। নতুন গঠিত কমিটিতে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে আহ্বায়ক এবং শাহ জোবায়েরকে সদস্য সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে। এই আহ্বায়ক কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য হলো প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করা। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারায় বিশ্বাসী প্রবাসীদের সমন্বয়ে এই ১০১ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আতিকুর রহমান রুমন নবনিযুক্ত সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করেন, প্রবাসী দেশপ্রেমিকদের ভূমিকা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কমিটি প্রবাসে একটি একীভূত জাতীয়তাবাদী মঞ্চ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও যোগ করেন, প্রবাসের তরুণ ও অভিজ্ঞ জাতীয়তাবাদী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি ভবিষ্যতে বিশ্ব মঞ্চে জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধকে আরও সংহত করবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দলের অবস্থানকে দৃঢ়তর করবে। সংগঠনের উৎস থেকে জানা গেছে, তাদের নীতিবাক্য “জাতীয়তাবাদের চেতনায়, প্রবাসীদের ঐক্যে” এই প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন করে। সংগঠন বিশ্বাস করে, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ কেবল একটি রাজনৈতিক দর্শন নয়; এটি আমাদের সার্বভৌমত্ব, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, গণতান্ত্রিক মূল্য ও ঐক্যের মৌলিক ভিত্তি। এই বিশ্বাসের আলোকে তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের একত্রিত করে একটি বিশ্বব্যাপী মঞ্চ গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত, যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সবসময় অগ্রাধিকার পাবে। বিএনডিএ-এর প্রধান লক্ষ্য হলো জাতীয়তাবাদের চেতনায় প্রবাসীদের একত্রিত করা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সমর্থনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সম্মান উন্নত করা। সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য বিশ্বব্যাপী বসবাসরত জাতীয়তাবাদী আদর্শে আস্থাবান প্রবাসীদের একীভূত একটি সংগঠন, যা দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবদান রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে কাজ করছে।
মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশসহ কিছু দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে। …
আমাদের ভবিষ্যতের আপডেটগুলি মিস করবেন না! আজই সাবস্ক্রাইব করুন!
©2025. All Rights Reserved.