মঙ্গলবার ৩ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নূরুল ইসলাম  গণভোট বিতর্কে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন শিশির মনির  আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে খামেনি হত্যা গ্রহণযোগ্য নয়: চরমোনাই পীর  প্রথম দফায় ২০৪ ইউপিতে ভোটের প্রস্তুতি শুরু  ইরানে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষোভ, বিশ্বশান্তির আহ্বান  সামনের চাকা সরকারি, পেছনের চাকা বিরোধী: জামায়াত আমিরের তুলনামূলক বক্তব্য  ৫ আগস্ট ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছু গোপন রেখেছেন: জামায়াত আমির  অভিজ্ঞ ও নবীনদের নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটি  বিএনপি নেতাদের হাতে ছয় সিটির প্রশাসনের দায়িত্ব  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রস্তুতি, সারজিস হান্নানের নেতৃত্বে এনসিপি কমিটি 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী হল সংসদ নির্বাচনে প্রধান প্রতিযোগিতা ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। ছাত্রশিবির ৯টি ছাত্র হলের মধ্যে ৭টিতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে, আর ছাত্রদল ধীরে ধীরে নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রস্তুত করছে। বামপন্থী সংগঠনগুলো কোনো হলে প্যানেল গঠন করতে ব্যর্থ হচ্ছে, ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৃশ্যটি ক্রমশ এই দুটি সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ছে।  জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মামলা ও হামলার মুখে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি। ছাত্রদলের কমিটি ২০২৩ সালের আগস্টে গঠিত হয়, যাতে ৫ জন সদস্য রয়েছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ছাত্রদল ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশের আয়োজন শুরু করেছে, তবে হলগুলোতে তাদের কোনো কমিটি নেই।  অপরদিকে, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে ২০১৪ থেকে গত বছর পর্যন্ত ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসে খোলামেলা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি। পরিস্থিতি বদলের পর তারা বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়েছে, এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ৯টি ছাত্র হলে তাদের কমিটি রয়েছে।  ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে জানান, তারা অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান হল ও মাস্টারদা সূর্য সেন হলে প্যানেল দেয়নি। বাকি হলগুলোতে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে।  নির্বাচন ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে, যাতে ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদের জন্য প্রতিযোগিতা চলবে। চাকসুতে ইতিমধ্যে ১১টি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে, আর হল সংসদে শুধু ছাত্রশিবির প্যানেল দিয়েছে। ১৪টি হলে (ছাত্রীদের ৫টি) ৪৮১টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে—ছাত্র হলে ৩৫৬ জন ও ছাত্রী হলে ১২৫ জন। প্রতি হলে ভিপি ও জিএসসহ ১৪টি পদ রয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির ছাড়াও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ, ছাত্র অধিকার পরিষদ, গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট (বাসদ), স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্র মজলিস, ইনকিলাব মঞ্চসহ বিভিন্ন সংগঠন রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাচ্ছে, তবে ছাত্রলীগ এখন নিষিদ্ধ।  শিক্ষার্থীরা মনে করেন, হলে প্যানেল গঠনের ক্ষমতা শুধু ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের আছে। বাকি সংগঠনগুলো সব হলে প্যানেল দিতে সক্ষম নয়, ফলে হল সংসদ নির্বাচনে প্রধান লড়াই এই দুই সংগঠনের মধ্যে হবে। তবে ভোটারদের নজর থাকবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপরও।  ছাত্রীদের প্রীতিলতা হলে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা প্যানেল ঘোষণা করেছে, আর নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলে পাহাড়ি ছাত্রীরা ‘হৃদ্যতার বন্ধন’ নামে প্যানেল দিয়েছে। বাকি তিন হলে এখনো কেউ প্যানেল ঘোষণা করেনি।  ছাত্রদল এখনো চিন্তা-ভাবনার মধ্যে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রলীগ (বর্তমানে নিষিদ্ধ) ছাত্ররাজনীতির ‘চাবি’ হাতে রেখেছিল। সংগঠনটি দুটি পক্ষে বিভক্ত ছিল—একটি পক্ষ সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সমর্থক, আরেকটি পক্ষ সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর অনুসারী। এরা হলগুলো নিয়ন্ত্রণ করত, ফলে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির খোলামেলা কার্যক্রম চালাতে পারেনি। ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন জানান, কার্যক্রম সীমিত থাকায় হলে কমিটি গঠন করা যায়নি। তিনি বলেন, এক-দুই দিনের মধ্যে হলগুলোতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করা হবে, যেখানে এখন অভ্যন্তরীণ নির্বাচন চলছে। সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, হল সংসদে নেতা-কর্মীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে, তবে পদ বরাদ্দ নিয়ে এখনও ভাবা হচ্ছে।  বাম সংগঠনগুলো দুর্বল। বামপন্থী ছাত্রসংগঠন দুটি ভাগে বিভক্ত—একটিতে ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি), আরেকটিতে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন ও ইউপিডিএফ সমর্থিত পিসিপি। চাকসুতে ‘দ্রোহ পর্ষদ’ নামে ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট প্যানেল দিয়েছে, আর ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য’ নামে বাকি বাম সংগঠনগুলো প্যানেল ঘোষণা করেছে। তবে হলে প্যানেল গঠন করতে ব্যর্থতা ঘটেছে। তারা জানায়, ছাত্রলীগের প্রভাবে হলে কার্যক্রম সীমিত ছিল, এখনও বাধা রয়েছে। তবুও সুস্থ রাজনীতির চর্চা চালিয়ে গেছে। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (বাসদ) ২০২২ সালের কমিটিতে ৭ জন সদস্য রয়েছে, যেখানে ১৪টি পদ। সাধারণ সম্পাদক ঋজু লক্ষ্মী ‘দ্রোহ পর্ষদ’ থেকে ভিপি পদে লড়ছেন। তিনি বলেন, সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে হলে প্যানেল দেওয়া যায়নি, নির্বাচনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এটি সম্ভব হবে।  পূর্বে বাম নেতারা ভিপি-জিএস ছিলেন। ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারিতে শেষ চাকসু নির্বাচনে জিএস পদে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আজিম উদ্দীন আহমদ (৪,৯৬৩ ভোট) ও শাহ আমানত হল থেকে ভিপি জয়জীত কুমার বড়ুয়া নির্বাচিত হন। আলাওল হলের জিএস ছিলেন ইলিয়াস কবীর (ছাত্র ইউনিয়ন), আর শামসুন্নাহার হলে ভিপি ছিলেন রুবিনা মাহফুজ। তখন ১২টি সংগঠন জোট বেঁধে নির্বাচনে অংশ নেয়, যেখানে ছাত্রশিবির পৃথক ছিল। আজিম উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিন হলে ক্ষমতাসীন সংগঠনের প্রভাব ছিল, বামপন্থীদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে সুযোগ কম পেয়েছে। হলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নিলে তাদের প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। 

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির চেয়ারপারসন পদ শূন্য হয়েছে। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে কবে, কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হবে, তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচনের কারণে দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে দলকে।  দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নির্বাচনী প্রচারের ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড, লিফলেট ও ডিজিটাল পোস্টারে কার ছবি ব্যবহার হবে—এটিই এখন দলের সবচেয়ে সংবেদনশীল প্রশ্ন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধান করতে হবে। আচরণ বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীরা শুধু বর্তমান দলীয় প্রধানের পোর্ট্রেট ছবি ব্যবহার করতে পারবেন।  খালেদা জিয়া গত ৩০ ডিসেম্বর সকাল ৬টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে পুরো দেশ শোকার্ত। দলীয় সাত দিনের শোক কর্মসূচি ৫ জানুয়ারি শেষ হবে। রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা ও কৌশলগত কারণে তারেক রহমানের চেয়ারম্যান পদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আটকে আছে। তবে সব সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা তাঁকেই কেন্দ্র করে নেওয়া হচ্ছে।  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পোস্টারে দলীয় প্রধানের ছবির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নিতে শিগগিরই কমিশনে যাওয়া হবে।  শোকের মধ্যেও নির্বাচনী প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, গভীর শোকে মন উৎসাহ পাচ্ছে না, তবু যতটুকু সম্ভব করতে হচ্ছে। প্রয়াত খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে না থাকলেও নির্বাচনী প্রচারের কেন্দ্রে থাকবেন—তাঁর শোককে রাজনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের চেষ্টা চলছে। জানাজায় অগণিত মানুষের উপস্থিতি ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধাকে ভোটে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।  …

জাতীয় রাজনীতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য (বরগুনা-২) মো. নূরুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।  আজ সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ছয়জন হুইপ নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি চিফ হুইপ ও হুইপদের নিয়োগ করেন।  নবনিযুক্ত ছয় হুইপ হলেন— হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ, খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রকিবুল ইসলাম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।  ১২ মার্চ এই সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। 

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য (বিএনডিএ) তার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির গঠন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের অনুমোদন অর্জন করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এক নতুন নেতৃত্বের সূচনা ঘটবে বলে সংগঠনটি প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে।  নতুন গঠিত কমিটিতে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে আহ্বায়ক এবং শাহ জোবায়েরকে সদস্য সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে।  এই আহ্বায়ক কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য হলো প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করা। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারায় বিশ্বাসী প্রবাসীদের সমন্বয়ে এই ১০১ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে।  সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আতিকুর রহমান রুমন নবনিযুক্ত সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করেন, প্রবাসী দেশপ্রেমিকদের ভূমিকা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কমিটি প্রবাসে একটি একীভূত জাতীয়তাবাদী মঞ্চ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।  তিনি আরও যোগ করেন, প্রবাসের তরুণ ও অভিজ্ঞ জাতীয়তাবাদী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি ভবিষ্যতে বিশ্ব মঞ্চে জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধকে আরও সংহত করবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দলের অবস্থানকে দৃঢ়তর করবে।  সংগঠনের উৎস থেকে জানা গেছে, তাদের নীতিবাক্য “জাতীয়তাবাদের চেতনায়, প্রবাসীদের ঐক্যে” এই প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন করে।  সংগঠন বিশ্বাস করে, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ কেবল একটি রাজনৈতিক দর্শন নয়; এটি আমাদের সার্বভৌমত্ব, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, গণতান্ত্রিক মূল্য ও ঐক্যের মৌলিক ভিত্তি। এই বিশ্বাসের আলোকে তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের একত্রিত করে একটি বিশ্বব্যাপী মঞ্চ গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত, যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সবসময় অগ্রাধিকার পাবে।  বিএনডিএ-এর প্রধান লক্ষ্য হলো জাতীয়তাবাদের চেতনায় প্রবাসীদের একত্রিত করা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সমর্থনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সম্মান উন্নত করা।  সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য বিশ্বব্যাপী বসবাসরত জাতীয়তাবাদী আদর্শে আস্থাবান প্রবাসীদের একীভূত একটি সংগঠন, যা দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবদান রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে কাজ করছে। 

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ

জাতীয় রাজনীতি

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ