সোমবার ১৩ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
‘দোষ চাপিয়ে লাভ হবে না, সরকার পারছে না’—নাহিদ ইসলাম   টেলিটক নিয়ে গুঞ্জনের অবসান, বিক্রির পরিকল্পনা নেই   ডিসেম্বর-জানুয়ারির অপেক্ষা নয়, শেখ হাসিনাকে দ্রুত ফেরত চাইলেন চিফ প্রসিকিউটর  ‘সীমান্তে সুড়সুড়ি দিচ্ছে ভারত, সরকারের মুখে কুলুপ’—জামায়াত আমির   ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর, সুদসহ ফেরত মিলবে টাকা  ডিসেম্বর থেকেই ধাপে ধাপে শুরু হচ্ছে ইউপি নির্বাচন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী   পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজি, সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড  ইউপি নির্বাচন নিয়ে বড় ঘোষণা, তফসিল ও ভোটের সময় প্রকাশ  ‘নিরাপত্তার কারণে’ গোপালগঞ্জে যাচ্ছে না এনসিপির জুলাই পদযাত্রা  দেশের প্রতিটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, জানালেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) বিদেশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর গ্রিন রোডে অভিযান চালিয়ে দেড় লাখ ট্রামাডল বড়িসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে …

প্রথম আলোর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে ১২-দলীয় জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম জুলাই জাতীয় সনদ, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নির্বাচনে জোট গঠন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার মতামত তুলে ধরেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের।  প্রথম আলো: অনেক জল্পনা-কল্পনার পর জুলাই সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে এখনো বিতর্ক রয়ে গেছে। এটি রাজনীতিতে নতুন কোনো সংকট তৈরি করবে কি না?  শাহাদাত হোসেন সেলিম: যেহেতু আমরা দীর্ঘদিন ধরে আলাপ-আলোচনা করে জুলাই সনদ বিষয়ে একমত হতে পেরেছি এবং কিছু কিছু নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে এটাতে স্বাক্ষর করেছি, তাই এটার বাস্তবায়নে তেমন কোনো সমস্যা হবে না। আর আইনগত যে দিকগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে একটা রাস্তা বের করার চেষ্টা করছি।  প্রথম আলো: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল এনসিপি এখনো জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেনি। এটা আপনি কীভাবে দেখেন?  শাহাদাত হোসেন সেলিম: সম্ভবত তাঁরা কারও প্ররোচনার শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বয়স এবং অভিজ্ঞতার যথেষ্ট ঘাটতি আছে। তাঁদের যাঁরা গাইড করছেন তাঁরাও তাঁদের সঠিকভাবে গাইড করতে পারছেন না। আশা করি এনসিপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে। …

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে “নাজুক” বলে উল্লেখ করেছেন। বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের বিভিন্ন অপরাধের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, দেশে হত্যা, অপহরণ, ছিনতাই, ডাকাতি এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে।  সোমবার জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ ধারায় জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।  ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) তথ্য উদ্ধৃত করে রুমিন ফারহানা বলেন, গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে দেশে ৬০৫টি হত্যাকাণ্ড, ২৯৪টি ছিনতাই, ৯০টি ডাকাতি এবং ১৯৬টি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে পুলিশের ওপর ১২৯টি হামলা এবং ২ হাজার ২১৪টি চুরির ঘটনা রেকর্ড হয়েছে বলেও জানান তিনি।  …

ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি গিয়ে অপ্রত্যাশিত এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে কোনো কারণ না জানিয়েই প্রবেশে বাধা দেয় এবং প্রায় আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় রাখে।  রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে দিল্লি পৌঁছানোর পর তাঁকে স্বাগত জানান ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ। ইমিগ্রেশন ডেস্কে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে গিয়ে দেখা দেয় জটিলতা।  প্রত্যক্ষদর্শী কূটনৈতিক সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় ধরে জাহেদ উর রহমানের ব্যক্তিগত তথ্য কম্পিউটারে যাচাই করতে থাকেন, কিন্তু কোনো ব্যাখ্যা দেননি। প্রায় ১৫ মিনিট পর বাংলাদেশের হাইকমিশনার কারণ জানতে চাইলে কর্মকর্তার কাছ থেকে কোনো উত্তর মেলেনি।  এরপর জাহেদ উর রহমানের জন্মস্থান, পূর্বে ভারত সফরের ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। পরে তাঁর আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যানও নেওয়া হয়।  কিছুক্ষণ পর তাঁকে জানানো হয়, “আপনি সোফায় গিয়ে বসুন, কিছুটা সময় লাগবে।” এরপর শুরু হয় দীর্ঘ অপেক্ষা।  …

সংবিধান সংশোধনে সরকারের প্রস্তাবিত বিশেষ কমিটিতে যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। তবে দলটির ভেতরে এ কমিটিতে না যাওয়ার পক্ষেই জোরালো মত তৈরি হয়েছে। নেতাদের আশঙ্কা, সংবিধান সংস্কারের পরিবর্তে সংশোধনের পথে হাঁটলে সরকার নিজেদের মতো করে পুরো প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার রাজনৈতিক বৈধতা পেয়ে যেতে পারে।  গত ২৯ এপ্রিল সংসদে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, কমিটিতে বিরোধী দলের পাঁচজন সদস্যের নাম চাওয়া হয়। সরকারপক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ১২ জনের একটি তালিকাও চূড়ান্ত করা হয়েছে, যেখানে বিএনপির সাতজন সংসদ সদস্য ছাড়াও গণ অধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সদস্যদের রাখা হয়েছে। বিরোধী দলের সদস্য যুক্ত হলে কমিটির সদস্যসংখ্যা দাঁড়াবে ১৭ জনে।  তবে এই উদ্যোগ ঘিরে বিরোধী শিবিরে এখনো আস্থার সংকট কাটেনি। জামায়াতের নেতারা মনে করছেন, সরকার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে, সেখানে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ কেবলমাত্র সংশোধন প্রক্রিয়াকে বৈধতা দেওয়ার হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।  সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান আগেই বলেছিলেন, সংবিধান প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মৌলিক ধারণাগত পার্থক্য রয়েছে। বিরোধী দল যেখানে সংবিধানের “সংস্কার” চায়, সরকার সেখানে “সংশোধন”-এর কথা বলছে। বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।  এরপর সংসদের অধিবেশন শেষ হলেও এখনো বিরোধী দল সরকারের কাছে কোনো নাম দেয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিরোধী শিবির শুরু থেকেই সংবিধান সংশোধনের বদলে পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের মতে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং বিএনপির ৩১ দফা অনুযায়ী প্রথমেই সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা উচিত ছিল। কিন্তু সরকার সেই পথে না গিয়ে সংশোধন কমিটির প্রস্তাব সামনে এনেছে।  …

জাতীয় রাজনীতি

চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “দোষ দিয়ে লাভ নেই, সরকার পারছে না। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব।”  রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের দোভাষী বাজার এলাকায় বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।  বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে উদ্বেগ  নাহিদ ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামের বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছেন এবং চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর অভিযোগ, এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন কিংবা সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের উপস্থিতি দেখা যায়নি।  তিনি বলেন, সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে শুধু দোষারোপ করলে সমাধান হবে না। বরং ব্যক্তি ও সংগঠন—সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে এলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব করা সম্ভব।  বেড়িবাঁধ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ  ত্রাণ বিতরণের সময় উপকূলীয় বেড়িবাঁধের বেহাল অবস্থারও সমালোচনা করেন এনসিপির আহ্বায়ক।  তিনি অভিযোগ করেন, কয়েক বছর ধরে অকার্যকর বেড়িবাঁধের কারণে এলাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে এবং অতীতে এ প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থ লুটপাট হয়েছে।  নাহিদ ইসলাম বলেন, ভবিষ্যতে উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে এবং কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।  …

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

 বেইজিং: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সহযোগিতা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুততর করার আহ্বান জানিয়েছেন। শুক্রবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।  প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই তারেক রহমানের প্রথম চীন সফর। এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ একদিকে বেইজিংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়, অন্যদিকে প্রতিবেশী ভারতসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কৌশলও অনুসরণ করছে।  বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান বড় বাণিজ্য ঘাটতির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশি পণ্যের জন্য চীনা বাজারে আরও বেশি প্রবেশাধিকার দেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, শুধু প্রচলিত পণ্যের ওপর নির্ভর না করে রপ্তানি বহুমুখীকরণ জরুরি। এ ক্ষেত্রে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, মৎস্যপণ্য, কাঁচা চামড়া এবং ওষুধশিল্পের পণ্যের রপ্তানির সম্ভাবনার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি।  একই সঙ্গে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বিদ্যমান শিল্পকারখানার আধুনিকায়নে চীনের আরও সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, এসব উদ্যোগ দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্পোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  চীনের শুল্ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে দেশটি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে উইগ তৈরিতে ব্যবহৃত মানবচুল। এছাড়া তুলার সুতা ও পাটজাত পণ্যও উল্লেখযোগ্য রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রয়েছে।  বাণিজ্যের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে বাংলাদেশি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।  চীন বৈঠকে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর (China-Myanmar-Bangladesh Economic …

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

একীভূত হওয়া ইসলামি ধারার পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য আশ্বস্তকারী বার্তা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এসব ব্যাংকের গ্রাহকদের আমানতের ওপর কোনো ‘হেয়ারকাট’ (আমানতের অর্থ কমিয়ে পরিশোধ) করা হবে না। বরং প্রত্যেক আমানতকারী তাঁদের সুদসহ সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত পাবেন, যদিও পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগবে।  বুধবার জাতীয় সংসদে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য রেহানা আক্তার রানুর উত্থাপিত নোটিশের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।  ৫ ব্যাংক একীভূত করে নতুন ব্যাংক  অর্থমন্ত্রী জানান, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সরকার ব্যাংক রেজল্যুশন আইন অনুযায়ী সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠন করেছে।  তিনি বলেন, এই একীভূতকরণের ফলে সংশ্লিষ্ট পাঁচ ব্যাংকের সব আমানত, দাবি ও গ্রাহকদের স্বার্থ নতুন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত রেজল্যুশন স্কিম অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হচ্ছে।  ‘হেয়ারকাট’ নয়, সুদসহ পুরো টাকা  সংসদে বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, এসব ব্যাংকের ক্ষেত্রে হেয়ারকাটের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না।  তিনি বলেন, সরকার নিশ্চিত করতে চায় যেন প্রতিটি আমানতকারী তাঁর জমাকৃত অর্থ সুদসহ ফেরত পান। তবে এ জন্য কিছুটা ধৈর্য ধরতে হবে, কারণ ব্যাংকগুলো বর্তমানে বড় ধরনের আর্থিক সংকট ও লোকসানের মধ্যে রয়েছে।  মন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও আর্থিক ক্ষতির কারণে ব্যাংকগুলোর আর্থিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে আমানতের অর্থ ও সুদ পরিশোধের প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।  অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফরেনসিক তদন্ত  …

সর্বশেষ

জাতীয় রাজনীতি

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ