বুধবার ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
জামায়াত আমিরের পোস্ট নিয়ে বিতর্ক, হ্যাকের দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির  সিলেটে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ৯ নেতাকে বহিষ্কার বিএনপির  তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন বলে মনে করেন ৪৭ শতাংশ মানুষ  আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না: জামায়াতের আমির  জলাবদ্ধতা দূর করাই প্রথম অগ্রাধিকার হবে: উত্তরায় তারেক রহমান  জাতিকে আর বিভক্ত করতে চাই না: জামায়াত আমির শফিকুর  মানুষের আস্থাই আসল শক্তি, ভাড়া করা লোক দিয়ে রাজনীতি নয়: তাসনিম জারা  ভোট পর্যবেক্ষণে ৫৫ হাজার দেশি ও ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক  কূটনীতিকদের সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে ইসি  জনসমাগমে মুখর চট্টগ্রাম সমাবেশ, মঞ্চে তারেক রহমান 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা জেলা ও মহানগরের ২০টি আসনের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ১৭টিতে প্রার্থী দিয়েছে। হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই ১৭ প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জন কোটিপতি—অর্থাৎ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য কোটি টাকা বা তার বেশি।  সবচেয়ে ধনী প্রার্থী ঢাকা-৭ আসনের মো. এনায়াত উল্লা। তাঁর সম্পদের মূল্য প্রায় ১১৬ কোটি টাকা, যার মধ্যে অস্থাবর সম্পদ ৯২ কোটি ২৩ লাখ ও স্থাবর ২৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ঋণও সর্বোচ্চ তাঁর—প্রায় ৮৩ কোটি টাকা। বছরে আয় ৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকার বেশি। তিনি ব্যবসায়ী, এফবিসিসিআইর পরিচালক এবং পুরান ঢাকার মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি।  সম্পদে সবচেয়ে কম আফজাল হোসাইন (ঢাকা-১৯), মাত্র ১৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। তবে পৈতৃক ও দানসূত্রে পাওয়া জমি-বাড়ির মূল্য হলফনামায় উল্লেখ করেননি।  সর্বনিম্ন আয়কারী মো. সাইফুল আলম (ঢাকা-১২)—বছরে এক লাখ টাকার সামান্য বেশি, মাসে প্রায় সাড়ে আট হাজার টাকা।  ঢাকায় জামায়াত ৩টি আসন ছেড়েছে: ঢাকা-৮ ও ঢাকা-১১ এনসিপিকে (প্রার্থী যথাক্রমে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম), ঢাকা-১৩ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে (প্রার্থী মামুনুল হক)। আরও কয়েকটি আসনে ছাড় দেওয়ার আলোচনা চলছে।  কোটিপতি প্রার্থীরা জামায়াত আমির শফিকুর রহমান (ঢাকা-১৫, সম্পদ প্রায় দেড় কোটি), মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম (ঢাকা-১), মো. শাহীনুর ইসলাম (ঢাকা-৩), সৈয়দ জয়নুল আবেদীন (ঢাকা-৪), কবির আহমদ (ঢাকা-৯), জসীম উদ্দীন সরকার (ঢাকা-১০), মীর আহমাদ বিন কাসেম (ঢাকা-১৪), আবদুল বাতেন (ঢাকা-১৬), স ম খালিদুজ্জামান (ঢাকা-১৭), মুহাম্মদ আশরাফুল হক (ঢাকা-১৮)।  কোটির নিচে সম্পদ: মোহাম্মদ কামাল হোসেন (ঢাকা-৫), মো. আবদুল মান্নান (ঢাকা-৬), আফজাল হোসাইন (ঢাকা-১৯), মো. আবদুর রউফ (ঢাকা-২০)।  আয়ে শীর্ষে এনায়াত উল্লা, তারপর স ম খালিদুজ্জামান (৩ কোটি ৬৪ লাখ)। অস্থাবর সম্পদে এনায়াত উল্লা সর্বাগ্রে, নগদ অর্থে মীর আহমাদ বিন কাসেম (১ কোটি ১৩ লাখ)। সোনা সবচেয়ে বেশি আবদুল বাতেনের (৫০ ভরি)।  হলফনামায় মিথ্যা তথ্য বা গোপনের কারণে প্রার্থিতা বাতিল বা নির্বাচন বাতিল হতে পারে বলে আরপিওতে উল্লেখ আছে।  প্রার্থীদের পেশা: ব্যবসায়ী সর্বোচ্চ (৫ জন), আইনজীবী ও শিক্ষক ৩ জন করে। শিক্ষায় এগিয়ে আবদুল মান্নান (পিএইচডি)। একমাত্র নজরুল ইসলামের দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল (যুক্তরাজ্য), ত্যাগ করেছেন। 

জাতীয় রাজনীতি

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে নারীবিদ্বেষী পোস্ট দেওয়ার পর প্রায় ৯ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পর রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ‘অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে’ দাবি করা কতটা যৌক্তিক ও বিশ্বাসযোগ্য—এ নিয়ে সংগত প্রশ্ন উঠেছে।  আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।  মাহদী আমিন বলেন, কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো দ্রুততম সময়ে জনগণকে অবহিত করা—যাতে বিভ্রান্তি না ছড়ায় এবং সবাই সতর্ক থাকতে পারে। কিন্তু এখানে দেখা গেছে, জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার পর, সমালোচনার মুখে হঠাৎ করে হ্যাকের দাবি তোলা হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, হ্যাক হওয়ার পরও উক্ত সময়ের মধ্যে জামায়াত আমিরের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অনেক পোস্ট করা হয়েছে, কিন্তু এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের বিষয়ে কোনো পোস্ট করা হয়নি। এছাড়া রাত ৩টা ৩০ মিনিটে হাতিরঝিল থানায় জিডি করা হয়েছে, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে বিকেল ৪টা ৫৫ মিনিটে হ্যাকের বিষয় জানা গেছে। তাহলে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর জিডি করার যৌক্তিক ব্যাখ্যা কী? এবং হ্যাক হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার দাবিই বা কতটা বিশ্বাসযোগ্য?  মাহদী আমিন স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা সর্বদা নারীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সম্মান ও সমঅধিকারের পক্ষে। এই ধরনের ভাষা ও মানসিকতা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটা প্রকাশ্যেই নারীবিদ্বেষী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।’  তিনি জামায়াত আমিরের ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটের পোস্টের একটি অংশের অনুবাদ তুলে ধরে বলেন, তাতে নারীদের আধুনিকতার নামে ঘর থেকে বের করাকে ‘শোষণ, নৈতিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তাহীনতার মুখোমুখি করা’ এবং ‘অন্য রূপে পতিতাবৃত্তির মতো’ বলা হয়েছে। এটি নারীদের অপমানজনক ও মধ্যযুগীয় মানসিকতার প্রকাশ।  …

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য (বিএনডিএ) তার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির গঠন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের অনুমোদন অর্জন করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এক নতুন নেতৃত্বের সূচনা ঘটবে বলে সংগঠনটি প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে।  নতুন গঠিত কমিটিতে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে আহ্বায়ক এবং শাহ জোবায়েরকে সদস্য সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে।  এই আহ্বায়ক কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য হলো প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করা। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারায় বিশ্বাসী প্রবাসীদের সমন্বয়ে এই ১০১ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে।  সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আতিকুর রহমান রুমন নবনিযুক্ত সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করেন, প্রবাসী দেশপ্রেমিকদের ভূমিকা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কমিটি প্রবাসে একটি একীভূত জাতীয়তাবাদী মঞ্চ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।  তিনি আরও যোগ করেন, প্রবাসের তরুণ ও অভিজ্ঞ জাতীয়তাবাদী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি ভবিষ্যতে বিশ্ব মঞ্চে জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধকে আরও সংহত করবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দলের অবস্থানকে দৃঢ়তর করবে।  সংগঠনের উৎস থেকে জানা গেছে, তাদের নীতিবাক্য “জাতীয়তাবাদের চেতনায়, প্রবাসীদের ঐক্যে” এই প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন করে।  সংগঠন বিশ্বাস করে, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ কেবল একটি রাজনৈতিক দর্শন নয়; এটি আমাদের সার্বভৌমত্ব, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, গণতান্ত্রিক মূল্য ও ঐক্যের মৌলিক ভিত্তি। এই বিশ্বাসের আলোকে তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের একত্রিত করে একটি বিশ্বব্যাপী মঞ্চ গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত, যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সবসময় অগ্রাধিকার পাবে।  বিএনডিএ-এর প্রধান লক্ষ্য হলো জাতীয়তাবাদের চেতনায় প্রবাসীদের একত্রিত করা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সমর্থনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সম্মান উন্নত করা।  সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য বিশ্বব্যাপী বসবাসরত জাতীয়তাবাদী আদর্শে আস্থাবান প্রবাসীদের একীভূত একটি সংগঠন, যা দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবদান রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে কাজ করছে। 

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ

জাতীয় রাজনীতি

আন্তর্জাতিক রাজনীতি

নির্বাচন ও ভোট

অর্থনীতি ও রাজনীতি

সর্বশেষ