
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ এখনো ঘোষণা না হলেও এই নির্বাচন পরিচালনার জন্য দলীয়ভাবে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমকে। সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে। সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি গঠনের তথ্য জানিয়েছেন এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা। দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এই কমিটিতে চারজন সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ এবং মঞ্জিলা ঝুমা। এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, সকল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জেলা নেতারা এই ছয় সদস্যের কমিটিকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দলটি।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করবেন। প্রচারের প্রথম দিনেই তিনি সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী কর্মসূচির সূচনা করবেন—যা বিএনপির ঐতিহ্যগত নির্বাচনী শুরুর অংশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, …
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের …
অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে: …
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়া, সুইডেন, ডেনমার্ক ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূতরা। দলের গুলশান কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিয়েভিচ খোজিন দুপুর ১২টার দিকে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল হক। অন্য তিন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎও একই দিনে পৃথক সময়ে হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সৌজন্য সাক্ষাৎগুলো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গণ-অভ্যুত্থানের দিন ৫ আগস্ট ২০২৪ নিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চেপে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে রাষ্ট্রপতির সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। শফিকুর রহমান লিখেছেন, ‘৫ই আগস্ট ২০২৪ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছুই চেপে গিয়েছেন।’ তিনি উল্লেখ করেন, পতিত প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের সময় উপস্থিত নেতাদের যা বলেছিলেন এবং পরে জাতিকে যা জানিয়েছিলেন, তার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির বর্তমান বক্তব্যের কোনো মিল নেই। ‘কোটি কোটি মানুষ যা শুনেছে, সেদিন তিনি যা বলেছিলেন আর এখন যা বলছেন—তার হিসেব রাষ্ট্রপতি মিলিয়ে দেবেন কি?’ —প্রশ্ন করেন জামায়াত আমির। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, ‘জাতি অবুঝ নয়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে এ রকম আচরণ একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।’
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য (বিএনডিএ) তার ১০১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির গঠন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের অনুমোদন অর্জন করেছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের এক নতুন নেতৃত্বের সূচনা ঘটবে বলে সংগঠনটি প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে। নতুন গঠিত কমিটিতে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীকে আহ্বায়ক এবং শাহ জোবায়েরকে সদস্য সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে। এই আহ্বায়ক কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য হলো প্রবাসে জাতীয়তাবাদী আদর্শকে সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী করা। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে বসবাসরত জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারায় বিশ্বাসী প্রবাসীদের সমন্বয়ে এই ১০১ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আতিকুর রহমান রুমন নবনিযুক্ত সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে উল্লেখ করেন, প্রবাসী দেশপ্রেমিকদের ভূমিকা বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কমিটি প্রবাসে একটি একীভূত জাতীয়তাবাদী মঞ্চ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরও যোগ করেন, প্রবাসের তরুণ ও অভিজ্ঞ জাতীয়তাবাদী নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটি ভবিষ্যতে বিশ্ব মঞ্চে জাতীয়তাবাদী মূল্যবোধকে আরও সংহত করবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে দলের অবস্থানকে দৃঢ়তর করবে। সংগঠনের উৎস থেকে জানা গেছে, তাদের নীতিবাক্য “জাতীয়তাবাদের চেতনায়, প্রবাসীদের ঐক্যে” এই প্রতিজ্ঞার প্রতিফলন করে। সংগঠন বিশ্বাস করে, ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ কেবল একটি রাজনৈতিক দর্শন নয়; এটি আমাদের সার্বভৌমত্ব, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, গণতান্ত্রিক মূল্য ও ঐক্যের মৌলিক ভিত্তি। এই বিশ্বাসের আলোকে তারা প্রবাসী বাংলাদেশীদের একত্রিত করে একটি বিশ্বব্যাপী মঞ্চ গড়ে তোলার কাজে নিয়োজিত, যেখানে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সবসময় অগ্রাধিকার পাবে। বিএনডিএ-এর প্রধান লক্ষ্য হলো জাতীয়তাবাদের চেতনায় প্রবাসীদের একত্রিত করা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান গ্রহণ, প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য সমর্থনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের স্বার্থ ও সম্মান উন্নত করা। সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ঐক্য বিশ্বব্যাপী বসবাসরত জাতীয়তাবাদী আদর্শে আস্থাবান প্রবাসীদের একীভূত একটি সংগঠন, যা দেশের গণতন্ত্র ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবদান রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে কাজ করছে।
মার্কিন প্রশাসন বাংলাদেশসহ কিছু দেশের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে। …
আমাদের ভবিষ্যতের আপডেটগুলি মিস করবেন না! আজই সাবস্ক্রাইব করুন!
©2025. All Rights Reserved.