সোমবার ২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
ইরানে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষোভ, বিশ্বশান্তির আহ্বান  সামনের চাকা সরকারি, পেছনের চাকা বিরোধী: জামায়াত আমিরের তুলনামূলক বক্তব্য  ৫ আগস্ট ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি অনেক কিছু গোপন রেখেছেন: জামায়াত আমির  অভিজ্ঞ ও নবীনদের নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটি  বিএনপি নেতাদের হাতে ছয় সিটির প্রশাসনের দায়িত্ব  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রস্তুতি, সারজিস হান্নানের নেতৃত্বে এনসিপি কমিটি  আওয়ামী লীগ নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে আইনের পথেই: মির্জা ফখরুল  মনোনয়নবঞ্চিত কাইয়ুম চৌধুরীর নতুন দায়িত্ব সিলেট সিটির প্রশাসক  তেজগাঁও অফিসে এসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় তারেক রহমানের  মার্চের মাঝামাঝি সংসদের প্রথম অধিবেশন, ইঙ্গিত সালাহউদ্দিনের 

‘টর্চার সেলে’ নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, বহিষ্কার 

আগস্ট 12, 2025
‘টর্চার সেলে’ নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার, বহিষ্কার 

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় চাঁদাবাজি ও মারপিটের অভিযোগে ছাত্রদলের এক নেতা এবং তাঁর দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বানিহালা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। 

গ্রেপ্তার হওয়া ছাত্রদল নেতার নাম হিজবুল আলম ওরফে জিয়েস। তিনি বানিহালা ইউনিয়নের মাঝিয়ালি গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে এবং একই ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তবে ময়মনসিংহ জেলা উত্তর ছাত্রদল তাঁকে দলীয় পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দিয়েছে। গতকাল রাতে এ–সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রকাশিত হয়। 

এর আগে ভোরে হিজবুলের দুই সহযোগী রাফি (১৯) ও আবদুল্লাহ (২০) গ্রেপ্তার হন এবং তাঁদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। আজ হিজবুলকে আদালতে পাঠানোর কথা রয়েছে। 

এই মামলাটি করেছেন ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহসম্পাদক মামুন সরকার। তাঁর অভিযোগ, ৮ আগস্ট মাঝিয়ালি বাজারে এক দোকানদারের কাছে ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে দোকানদারকে মারধর ও দোকান বন্ধ করে দেন হিজবুল। পরদিন ৯ আগস্ট মামুন সরকারকে নিজেই মারধর করেন তিনি। এ ঘটনায় মামুন তারাকান্দা থানায় মামলা করেন, যাতে হিজবুলসহ অজ্ঞাত ৪–৫ জনকে আসামি করা হয়। 

অভিযানে ভোরে রাফি ও আবদুল্লাহ এবং রাত ৯টার দিকে হিজবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ হিজবুলের আস্তানা থেকে নির্যাতনের সরঞ্জাম ও নন–জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লিটন চন্দ্র পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হিজবুলের তেমন কোনো তৎপরতা ছিল না। তবে গত বছরের আগস্ট থেকে তিনি এলাকায় আধিপত্য বিস্তার শুরু করেন। মাঝিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে নিজের মাছের খামারে একটি ‘টর্চার সেল’ তৈরি করেন। সেখানে দেশি অস্ত্র প্রদর্শন ও আটক ব্যক্তিদের মারধরের ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। আটক ব্যক্তিদের দিয়ে নন–জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো এবং জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নেওয়া ছিল তাঁর নিয়মিত কাজের অংশ। 

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন তালুকদার জানান, “ওই নেতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ ছিল, তাই তাঁকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।” 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন