“আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নির্বাচনে আসছি না। সিট কয়টা পাব সেটাও লক্ষ্য নয়। এটা গণভোট।”
বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন:
“যদি সিট জেতাই লক্ষ্য হতো, তাহলে আমরা কোনো না কোনো জোটে চলে যেতাম।”
নাহিদের মূল কথাগুলো
- এই নির্বাচন গণভোট – হ্যাঁ অথবা না।
- প্রশ্নটা হলো: গণঅভ্যুত্থানের সংস্কার ও বিচারের আকাঙ্ক্ষা রাখবেন কি রাখবেন না?
- অন্য দলগুলো নিজেদের দলীয় এজেন্ডা নিয়ে ব্যস্ত, সংস্কারের কথা কেউ বলছে না।
- সাত মাস অপেক্ষা করেছি। পুরোনো দলগুলো নিজেদের সংস্কার করেনি, তাই এনসিপির জন্ম।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কঠোর সমালোচনা
- “মাফিয়া ও ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে কি না, সেটাই দেখার।”
- এনসিপির পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে।
- বিএনপি–জামায়াত উভয়ের থেকেই অস্ত্রের মহড়া দেখা যাচ্ছে।
- নির্বাচনী খরচের হিসাব যথাযথভাবে যাচাই করতে হবে।
এনসিপির প্রার্থী তালিকা
- প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা
- নাহিদ ইসলাম নিজে লড়ছেন ঢাকা-১১ থেকে
- অন্তর্ভুক্তিমূলক তালিকা: নারী-পুরুষ, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু, বিভিন্ন পেশার মানুষ
- কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল
নাহিদের শেষ কথা:
“এই নির্বাচনে ভোটটা মার্কা দেখে নয়, প্রার্থী দেখেও নয়। ভোটটা গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্নের পক্ষে না বিপক্ষে।”
এনসিপি এখন মাঠে। বাকিটা জনগণের হাতে।