আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ে জানান, “এবার ভোটকেন্দ্র আগের তুলনায় ৬১১টি বেশি, তবে ভোটকক্ষ কমছে প্রায় ১৬ হাজার।”
দেশের ৩০০টি আসনে এই ভোটকেন্দ্রগুলোতে পুরুষদের জন্য ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৭টি এবং নারীদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার ৬০২টি ভোটকক্ষ থাকবে, মোট ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৪৯টি। গড়ে প্রতি তিন হাজার ভোটারের জন্য একটি কক্ষ। আখতার আহমেদ বলেন, “নির্বাচনের প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ প্রস্তুতি সম্পন্ন। সময়মতো সব শেষ করা সম্ভব হবে।”
অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১৪টি কেন্দ্রে প্রায় ১২ হাজার কক্ষ থাকবে। গত দ্বাদশ নির্বাচনে (২০২৪) ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২,১৫০টি এবং ভোটকক্ষ ২ লাখ ৬০,৮৫৮টি। ইসি সচিব জানান, “রাজনৈতিক দল ও পর্যবেক্ষক সংস্থার নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি, তবে সপ্তাহের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে।”
বিএনপির আপত্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “জোটের ক্ষেত্রে এক দলের প্রতীক অন্য দলের ব্যবহার বন্ধের বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। কমিশন সবার জন্য গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নেবে।” গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধনের অধ্যাদেশে জোট গঠনেও অন্য দলের প্রতীকে নির্বাচনের সুযোগ বন্ধের বিধান রয়েছে। জুলাই সনদের গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো তথ্য ইসির কাছে নেই।