সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আন্তর্জাতিক খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ আজ দুপুরে ঘোষণা দিয়েছেন—
“শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় সংবিধানের প্রস্তাবনা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ ছিল। পরবর্তীতে তা তুলে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তা পুনর্বহাল করা হবে।”
মুসলিম বিশ্বের দুর্দশা ও ঐক্যের আহ্বান
সালাহউদ্দিন বলেন,
“কওম হিসেবে, মুসলমান হিসেবে বিভক্তি ও দুর্বলতার কারণে ফিলিস্তিনের গাজাবাসী, আরাকানের রোহিঙ্গাসহ বিশ্বের মুসলমানরা হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন:
“ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ যদি রাষ্ট্রক্ষমতা দেন, জনগণ যদি মহব্বত করে দায়িত্ব দেন, পীরে কামেল, ওলামায়ে কেরাম, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ—সবাই যদি একসাথে থাকেন, তাহলে আজকের সব দাবি কানুনি ব্যবস্থায় পূরণ করা হবে।”
কাদিয়ানি ইস্যুতে হইচই, সালাহউদ্দিনের জবাব
বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই মঞ্চ ও সামনের সারি থেকে চিৎকার ওঠে:
“কাদিয়ানিদের কাফির ঘোষণা করুন!”
সালাহউদ্দিন শান্ত কণ্ঠে উত্তর দেন:
“আইনের ভাষা এটা নয়। জাতীয় সংসদে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর জন্য সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মুসলমানদের এক হতে হবে। ইনশাআল্লাহ, আপনাদের প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।”
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপির এই ইসলামী ভোটব্যাংক শক্তিশালীকরণের স্পষ্ট ইঙ্গিত। জুলাই সনদের গণভোটে ইসলামী ধারা পুনঃস্থাপনের প্রতিশ্রুতি—এটি বিএনপির নির্বাচনী কৌশলের নতুন অধ্যায়।