বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে জামায়াতের একক অবস্থান, জোটে বাড়ছে আলোচনা  ফেরার পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ, ভরসা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ইস্যুতে আজ বসছে বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক   প্রধানমন্ত্রী দিনে প্রায় ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন, জানালেন মির্জা ফখরুল   হবিগঞ্জে প্রবেশমুখে পুলিশের বাধায় আটকে গেল এনসিপির গাড়িবহর  আগস্টেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, আলোচনার কেন্দ্রে মির্জা ফখরুল   হবিগঞ্জে বুধবার এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ, থাকবেন নাহিদ ইসলাম  রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আগের বা পরের অভিযোগে মামলা করা যাবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা  ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?   বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দল বলা অজ্ঞতার পরিচয়: মির্জা ফখরুল 

মানুষের আস্থাই আসল শক্তি, ভাড়া করা লোক দিয়ে রাজনীতি নয়: তাসনিম জারা 

জানুয়ারি 27, 2026
মানুষের আস্থাই আসল শক্তি, ভাড়া করা লোক দিয়ে রাজনীতি নয়: তাসনিম জারা 

ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল প্রতীক) তাসনিম জারা মনে করেন, মানুষ ভোট দেয় বিশ্বাস থেকে—ভাড়া করা মানুষ নিয়ে মিছিল, কানঝালাপালা মাইকিং বা কোটি টাকার শোডাউন দিয়ে নয়। 

গতকাল সোমবার রাত সোয়া নয়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, এই নির্বাচনে যদি দেখানো যায় যে পোস্টার দিয়ে শহর জঞ্জাল না করে, উচ্চ শব্দের মাইকিং না করে, অর্থব্যয় করে শোডাউন না দিয়েও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জিততে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে টাকা বা পেশিশক্তি ছাড়াও দেশ পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ও যোগ্যতা নিয়ে অনেকেই রাজনীতিতে আসবেন। আর তখন রাজনৈতিক দলগুলো পুরোনো চর্চা ছেড়ে দিতে বাধ্য হবে। 

তাসনিম জারা লিখেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাত্র দেড় দিনে প্রায় পাঁচ হাজার ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহের সময় অনেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসে বলেছেন, ‘মা, আমি এসেছি। আমার ছেলে/মেয়ে ফোন করে বলেছে আপনাকে সাহায্য করতে।’ এ থেকেই তিনি বুঝতে পেরেছেন, মানুষের আস্থাই আসল শক্তি—ভাড়া করা মানুষ নিয়ে মিছিল বা মাইকিং নয়। 

নির্বাচনী প্রচার শুরুর আগেই শহরজুড়ে পোস্টারের উৎসব দেখে তিনি কষ্ট পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশন পোস্টার নিষিদ্ধ করলেও প্রায় সব প্রার্থী সেই নিয়ম ভঙ্গ করেছেন। তাসনিম জারা লিখেছেন, তিনি রাজনীতির বাইরের মানুষ ছিলেন। সাধারণ নাগরিক হিসেবে এই ‘পোস্টারের জঞ্জাল’ ও উচ্চ শব্দের মাইকিং তাঁকে সব সময় কষ্ট দিত। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন—পোস্টার টাঙাবেন না, উচ্চ শব্দে মাইকিংও করবেন না। 

শুভাকাঙ্ক্ষীরা চিন্তিত হয়ে বলেছিলেন, পোস্টার না থাকলে মানুষ জানবে কীভাবে? তাসনিম জারা লিখেছেন, তখন তিনি মূলে গিয়ে ভেবেছেন—মানুষ আসলে কেন ভোট দেয়? রাস্তায় মিছিল বা কানের কাছে মাইক বাজলেই কি ভোট দেবে? না। বরং বিরক্তি বাড়ে। মানুষ ভোট দেয় বিশ্বাস থেকে। আর এই বিশ্বাস তৈরি হয় যখন পরিচিত কেউ ফোন করে বলে, ‘দোস্ত, আমি ওনার ইশতেহার পড়েছি, মানুষটা সৎ। চলো ওনাকে সুযোগ দেই।’ 

এ ধরনের আন্তরিক কথোপকথন হাজার পোস্টারের চেয়েও শক্তিশালী বলে মনে করেন তিনি। এ থেকেই এসেছে তাঁদের ‘প্রজেক্ট ঢাকা-৯’ আইডিয়া। তাসনিম জারা লিখেছেন, সমর্থকদের জন্য মাত্র দুই ধাপ রাখা হয়েছে। প্রথমে পরিচিত কাউকে ফোন করে সাপোর্ট চাইতে হবে। সাপোর্ট দিলে পোর্টালে জানাতে হবে। পরে তাদের কাছে ভোটার স্লিপ ও ইশতেহার পাঠানো যাবে। 

তিনি লিখেছেন, ‘আপনার সাপোর্ট শুধু একটা ভোট না—এটা রাজনীতির নতুন ধারা প্রমাণের উপায়। এটা কাজ করলে দেশ পরিবর্তনের শক্তিশালী টুলকিট আমরা পেয়ে যাব।’ সময় খুব কম, তাই সাহায্য প্রয়োজন বলে তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন। 

পোস্টের শেষে তিনি প্রজেক্ট ঢাকা-৯–এর ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়েছেন এবং ভোটারদের সেখানে ভিজিট করতে অনুরোধ করেছেন। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন