রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ফুটবলার, এবার সংসদের স্পিকার  অসুস্থ মির্জা আব্বাস, ভর্তি এভারকেয়ার হাসপাতালে  সংসদের অধিবেশন কাল, আজই স্পিকার–ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত  সংসদ অধিবেশন সামনে রেখে বৈঠকে বিএনপি সংসদীয় দল  নেপালের নতুন রাজনীতির সাফল্য, বাংলাদেশে কেন থমকে এনসিপি ?   কূটনীতিতে প্রভাব বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা চান বিরোধীদলীয় নেতা  জনগণের দুর্ভোগ না বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  মির্জা আব্বাসের অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ  স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য নাম নিয়ে বিএনপিতে আলোচনা  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত, পল কাপুরকে জানাল জামায়াত 

সংস্কার যদি জনগণের উপকার না করে, তবে তা ব্যর্থ: বিএনপি 

জুলাই 29, 2025
সংস্কার যদি জনগণের উপকার না করে, তবে তা ব্যর্থ: বিএনপি

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রম যদি সাধারণ মানুষের প্রয়োজন মেটাতে না পারে, শিশুদের নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সেসব সংস্কার কোনো ফলপ্রসূ হবে না। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ মাঠে ‘গণতান্ত্রিক পদযাত্রায় শিশু’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

মির্জা ফখরুল বলেন, পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্তানদের পুনর্বাসনের জন্য একটি বিশেষ সেল গঠন করবে বলে আশা করেছিলেন, কিন্তু তা হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেরিতে হলেও অন্তর্বর্তী সরকার তাদের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেবে। 

গুম নির্ণায়ক কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, কমিশন রিপোর্ট দিয়েছে হলেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব স্পষ্ট। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, যারা এ ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তার তুলনায় অনেকে পারেননি। শিশুদের কথা শুনে তার আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে ওঠে। 

মির্জা ফখরুল আরও জানান, পরিবর্তনের পর অনেকেই ক্ষমতাসীন হয়েছেন, কিন্তু গুম হওয়া শিশুদের কল্যাণে যথাযথ কাজ হয়নি। তিনি আশ্বাস দেন, যদি আগামী নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করে, তবে দলের নেতা তারেক রহমান এই শিশুদের পুনর্বাসনের কাজ সম্পন্ন করবেন। 

অনুষ্ঠানে গুমের শিকারদের পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য দেন। তাহসিনা রুশদী বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শিশুদের দূরে রাখা হয়, অথচ গত আমলে গুম হওয়া শিশুদের মানসিক কষ্ট অনেক বেশি। শহীদ শিশুদের পিতারা যাদের হারিয়েছেন, তাদের পরিবারগুলো মানসিক ও সামাজিকভাবে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। 

শহীদ শিশু জাবির ইব্রাহিমের বাবা কবির হোসেন উল্লেখ করেন, জুলাই ও আগস্টে ১৪১ জন শিশু মারা গেছে, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তাদের জন্য কিছু করেনি। গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সন্তানরা তাদের পিতার সন্ধান না পাওয়ার বেদনা শেয়ার করেন এবং অবিলম্বে তাদের পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান। 

‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের সানজিদা ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় যারা পিতা-মাতাকে হারিয়েছেন তাদের কষ্ট এক, তাই তারা একসঙ্গে দাঁড়িয়েছেন। 

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএনপির আহ্বায়ক আতিকুর রহমান, উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান ও গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন