রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ফুটবলার, এবার সংসদের স্পিকার  অসুস্থ মির্জা আব্বাস, ভর্তি এভারকেয়ার হাসপাতালে  সংসদের অধিবেশন কাল, আজই স্পিকার–ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত  সংসদ অধিবেশন সামনে রেখে বৈঠকে বিএনপি সংসদীয় দল  নেপালের নতুন রাজনীতির সাফল্য, বাংলাদেশে কেন থমকে এনসিপি ?   কূটনীতিতে প্রভাব বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা চান বিরোধীদলীয় নেতা  জনগণের দুর্ভোগ না বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  মির্জা আব্বাসের অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ  স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য নাম নিয়ে বিএনপিতে আলোচনা  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত, পল কাপুরকে জানাল জামায়াত 

সরকার যেদিকে যাবে, দেশও সেদিকে চলবে 

নভেম্বর 10, 2025
সরকার যেদিকে যাবে, দেশও সেদিকে চলবে 

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে সাত দিনের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ নির্দেশনা চেয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু আজ সোমবার সেই সময়সীমা শেষ হলেও কোনো ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি। এই উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক বলেছেন, “সরকারের এই পদক্ষেপ বিবেচনাপ্রসূত বলে মনে হয়নি। প্রধান উপদেশ্টা স্পষ্ট করে জানান যে, সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করতে পারবেন কি না—হ্যাঁ বা না, যেটাই হোক। গণভোট আগে হবে নাকি পরে, সেটিও জানিয়ে দিন।” 

গত আট মাস ধরে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন (এনসিসি) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করে সর্বশেষ জুলাই সনদ স্বাক্ষর করিয়েছে। এর মাধ্যমে সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণের দায়িত্ব চলে গেছে সরকারের কোর্টে। নুরুল হক যোগ করেন, “সবাই সংস্কার চায়, তবে পদ্ধতি নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে—এটি বড় বিভাজন নয়। বরং সংস্কার না করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, সেটিতে ধাক্কা খাবে।” 

সরকারের ভূমিকা: আলোচনা থেকে সিদ্ধান্তের দিকে 

নুরুল হকের মতে, “এখন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বড় দলগুলোর জোরালো অবস্থান দরকার। সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ে সরকারকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সরকার চাইলে রাজনৈতিক দলগুলোকে ডেকে আলোচনা করতে পারে। দেশের স্বার্থে প্রয়োজনে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারে।” 

তিনি বলেন, “দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে এক জায়গায় আনা ছিল সরকারের সফলতা। কিন্তু জুলাই সনদ স্বাক্ষরের পর বাস্তবায়ন করতে পারেনি সরকার। জটিলতা তৈরি হয়েছে, এটা অপ্রত্যাশিত।” তবে তিনি আশাবাদী: “সরকার আসলে যেদিকে যাবে, পরিস্থিতি সেদিকে ঘুরবে। সরকার নির্বাচনের তফসিলের দিকে গেলে সবাই সেদিকে যাবে। এ নিয়ে বড় ধরনের সংকট তৈরি হবে বলে মনে হয় না। কারণ, নির্বাচন পেছালে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটি দলগুলোও জানে।” 

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক (নুর) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃত্ব দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। পরবর্তীকালে ২০২১ সালে তিনি গণ অধিকার পরিষদ গঠন করেন। দলটি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে এবং সংস্কারের পক্ষে সক্রিয় অবস্থান নিয়েছে। ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন