ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা শরিফ ওসমান বিন হাদির জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ মিছিল নিয়ে আসেন। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ফার্মগেট, আসাদ গেট থেকে দলে দলে মানুষ প্রবেশ করছেন। অনেকে হাতে বা মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে এসেছেন। মাঠে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে স্লোগান দিচ্ছেন: ‘আমরা সবাই হাদি হব যুগে যুগে লড়ে যাব’, ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেব না’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’।
জানাজা উপলক্ষে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রবেশপথে কয়েক স্তরে তল্লাশি, সেনাবাহিনী টহল, বিপুল পুলিশ-র্যাব-আনসার মোতায়েন। ডিএমপি ১০০০ বডি ওর্ন ক্যামেরাসহ পর্যাপ্ত বাহিনী মোতায়েন করেছে। যান চলাচল সীমিত।
ইনকিলাব মঞ্চের পোস্টে জানানো হয়, জানাজায় বাংলাদেশের পতাকা ছাড়া অন্য পতাকা থাকবে না।
বাদ জোহর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবারের চাওয়ায় হাদিকে কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মারা যান হাদি। গতকাল মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।
হাদির জানাজায় এই বিপুল জনসমাগম জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ও তাঁর প্রভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।