রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ফুটবলার, এবার সংসদের স্পিকার  অসুস্থ মির্জা আব্বাস, ভর্তি এভারকেয়ার হাসপাতালে  সংসদের অধিবেশন কাল, আজই স্পিকার–ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত  সংসদ অধিবেশন সামনে রেখে বৈঠকে বিএনপি সংসদীয় দল  নেপালের নতুন রাজনীতির সাফল্য, বাংলাদেশে কেন থমকে এনসিপি ?   কূটনীতিতে প্রভাব বাড়াতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা চান বিরোধীদলীয় নেতা  জনগণের দুর্ভোগ না বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  মির্জা আব্বাসের অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ  স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য নাম নিয়ে বিএনপিতে আলোচনা  যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত, পল কাপুরকে জানাল জামায়াত 

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ‘আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট’ ব্যবসায়ী জসিম 

ডিসেম্বর 29, 2025
চট্টগ্রাম-১৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ‘আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট’ ব্যবসায়ী জসিম 

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে অবশেষে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন আহমদকে। 

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় প্রার্থী ঘোষণার পর দলের নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে জসিমের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সেই সময়ের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। 

২০২৪ সালের মে মাসে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জসিম উদ্দিন। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় বাড্ডার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যান তিনি। এছাড়া পদ্মা ব্যাংকের ঋণখেলাপির মামলায়ও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও কারাদণ্ডের আদেশ ছিল। 

চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, জসিমকে দল প্রার্থী করেছে, তাঁর দলে কোনো পদ নেই এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই। 

প্রার্থিতা ঘোষণার পর মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম জসিমকে আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষক আখ্যা দিয়ে মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। 

তবে জসিমের পক্ষে চন্দনাইশে আনন্দমিছিল হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং সৌদি আরবের মক্কা বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন এবং ব্যবসায়ী হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক থাকা স্বাভাবিক। 

চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে এটিই ছিল বিএনপির শেষ ফাঁকা আসন। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন