ঈদের আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে করার প্রস্তাব পাঠিয়েছিল প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। তবে সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman।
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) অধীনে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন না করে প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে নামকরণের নির্দেশনা দিয়েছেন।
“নতুন নামকরণ করতে হলে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়তে হবে”— প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থানকে ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতিতে নাম পরিবর্তনের প্রচলিত সংস্কৃতির বিপরীতে একটি ব্যতিক্রমী বার্তা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, মন্ত্রণালয়ের পাঠানো নোটে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের বদলে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করাই যুক্তিযুক্ত হবে।
এর আগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র Shahadat Hossainসহ পাঁচ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাবও অনুমোদন দেননি প্রধানমন্ত্রী। মশা নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম দেখতে ফ্লোরিডা সফরের প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশেই কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কয়েকটি সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।