নতুন যমুনা রেলসেতু চালু হওয়ায় যমুনা সেতুতে আর ট্রেন চলাচল হচ্ছে না। এর ফলে সেতুর ওপরের রেললাইন সরিয়ে প্রায় সাড়ে ১১ ফুট চওড়া অতিরিক্ত জায়গা বের হবে। সেতু বিভাগ এই বাড়তি জায়গাকে সড়ক সম্প্রসারণের কাজে ব্যবহার করবে, যা উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ ও স্বচ্ছন্দ করবে। বিশেষজ্ঞদের নকশা ও মতামত পাওয়ার পরই কাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।
১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু চালু হলেও তখন রেললাইন ছিল না। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে রেললাইন যুক্ত করা হয়, যা সেতুর যান চলাচলের পথ সংকুচিত করেছিল। সেতুর প্রস্থ বর্তমান আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় যানজটের সমস্যা সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে উৎসবের সময়।
সেতু বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ ফেরদৌস জানান, রেললাইন অপসারণের পর সেতুর মাঝখানের বিভাজক সরিয়ে দুই পাশে প্রায় পৌনে ছয় ফুট করে নতুন যান চলাচলের পথ তৈরি করা সম্ভব হবে।
সিরাজগঞ্জ প্রান্ত থেকে গত জুনে রেললাইন খুলে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে রেললাইন অপসারণের কাজ শেষ হবে বলে রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদনে এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় সড়ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এটি বাস্তবায়িত হলে যমুনা সেতুর যান চলাচল আরও দ্রুত ও নিরাপদ হবে এবং সেতুর দুই প্রান্তের দীর্ঘ যানজট কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।