শনিবার ২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রক্রিয়া নির্ধারণে সংসদে মুলতবি প্রস্তাব   মৃত্যুর মিছিলেও নীরবতা—আর কত গেলে জাগবে অস্বস্তি?   “দুর্নীতির জালে বন্দী গ্রামীণ সড়ক” সংসদে ফখরুলের তোপ   সংবিধান সংস্কার পরিষদ ইস্যুতে সংসদে তুমুল বিতর্ক, হট্টগোল   কোল্ড স্টোরেজে ভয়াবহ আগুন চট্টগ্রামে, নিয়ন্ত্রণে ছয় ইউনিট   মাসুদ–খালেদকে ‘দুষ্কৃতকারী’ আখ্যা চিফ প্রসিকিউটরের   স্বাধীনতার সূচনা নিয়ে অলি আহমদের মন্তব্যে তোলপাড়   “এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব”—স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলীয় নেতা   কড়া হুঁশিয়ারি ফখরুলের: “রাডার দিয়ে নজর রাখছি”  স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে জামায়াতের ২ দিনের কর্মসূচি প্রকাশ 

মন্ত্রিপাড়ায় থাকবেন শুধু মন্ত্রীরা, নির্ধারণ করা হলো ৭১টি বাড়ি 

জানুয়ারি 7, 2026
মন্ত্রিপাড়ায় থাকবেন শুধু মন্ত্রীরা, নির্ধারণ করা হলো ৭১টি বাড়ি 

ঢাকার বেইলি রোড, মিন্টো রোড, হেয়ার রোড ও গুলশানের ‘মন্ত্রিপাড়া’য় অবস্থিত সরকারি বাংলো ও ফ্ল্যাটগুলো আবার শুধুমাত্র মন্ত্রীদের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আবাসন পরিদপ্তর ইতোমধ্যে ৭১টি বাংলো ও ফ্ল্যাট চিহ্নিত করেছে যেগুলো কেবল মন্ত্রীদের বরাদ্দের জন্য ‘এয়ারমার্ক’ করা হবে। 

২০১৩ সালে মন্ত্রীদের জন্য ৪১টি বাংলো ও ফ্ল্যাট নির্দিষ্ট করা হয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সেখানে বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার, দুদক কমিশনারসহ সাংবিধানিক পদের ব্যক্তিরা বসবাস শুরু করেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর এই প্রবণতা আরও বেড়েছে। ফলে ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভা গঠনের পর নতুন মন্ত্রীদের আবাসন নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সরকার। 

গত ২২ অক্টোবর ২০১৩ সালের প্রজ্ঞাপন বাতিল করা হয়। এরপর গত ২ নভেম্বর আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. আসাদুজ্জামানকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। পুরোনো ৪১টির সঙ্গে নতুন করে ৩০টি যুক্ত করে মোট ৭১টি বাংলো-ফ্ল্যাট মন্ত্রীদের জন্য সংরক্ষণের সুপারিশ করা হয়েছে। 

নতুন যুক্ত ৩০টির মধ্যে বেইলি রোডে ১৯টি, গুলশানে ৫টি, ধানমন্ডিতে ৫টি এবং মিন্টো রোডে ১টি। বেইলি রোডের ‘মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্ট’-এর তিনটি ভবনে ৩০টি ফ্ল্যাট (প্রতিটি সাড়ে ৫ হাজার বর্গফুট) এখন উপদেষ্টা, বিচারপতি ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ব্যবহার করছেন। 

কমিটির আহ্বায়ক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রতিবেদনে ৭১টি বাড়ি নির্দিষ্টকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। এখন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। 

আবাসন পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, খালি বাসা থাকায় অনেককে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের পর মন্ত্রীদের বাসস্থান নিয়ে সমস্যা হতে পারে। তাই মন্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ যাতে এখানে না থাকেন, সে জন্য নতুন করে নির্দিষ্টকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমান বাসিন্দাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। 

মন্ত্রিপাড়ায় স্পষ্ট নীতি না থাকায় আবাসন ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তায় জটিলতা বেড়েছে। নতুন সিদ্ধান্তে এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন