সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হলে দরকার যুক্তি, নয় বিদ্বেষ   জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস ও তাৎপর্য নিয়ে ঢাবিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু  ‘স্টান্টবাজির দিন শেষ, শিক্ষার্থীরা তা প্রমাণ করেছে’—হাসনাত আবদুল্লাহ  সংবিধান সংশোধনে সরকার নিজের পথে, অনড় বিরোধী দল  ‘দোষ চাপিয়ে লাভ হবে না, সরকার পারছে না’—নাহিদ ইসলাম   টেলিটক নিয়ে গুঞ্জনের অবসান, বিক্রির পরিকল্পনা নেই   ডিসেম্বর-জানুয়ারির অপেক্ষা নয়, শেখ হাসিনাকে দ্রুত ফেরত চাইলেন চিফ প্রসিকিউটর  ‘সীমান্তে সুড়সুড়ি দিচ্ছে ভারত, সরকারের মুখে কুলুপ’—জামায়াত আমির   ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর, সুদসহ ফেরত মিলবে টাকা  ডিসেম্বর থেকেই ধাপে ধাপে শুরু হচ্ছে ইউপি নির্বাচন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী  

জ্বালানি নিরাপত্তায় তিন মাসের মজুত সক্ষমতা চায় বিশেষ কমিটি  

জুন 8, 2026
জ্বালানি নিরাপত্তায় তিন মাসের মজুত সক্ষমতা চায় বিশেষ কমিটি  

জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় দেশের জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সম্প্রসারণ করে কমপক্ষে তিন মাসের সক্ষমতা গড়ে তোলার সুপারিশ করেছে। পাশাপাশি জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 

রোববার জাতীয় সংসদে ‘সাম্প্রতিক জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে’ গঠিত বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। গত ২৬ এপ্রিল গঠিত এই কমিটিতে সরকারি ও বিরোধী দলের পাঁচজন করে সদস্য ছিলেন। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক জ্বালানি পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। 

বিশেষ কমিটির সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও ডিজিটাল মনিটরিং চালু, অবৈধ মজুত ও পাচার রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, এবং এলএনজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি। 

এ ছাড়া ঢাকা–চট্টগ্রাম পাইপলাইন, এসপিএম প্রকল্প এবং ইআরএল–২ দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করা এবং তা কার্যকরভাবে তদারকিরও সুপারিশ করা হয়। 

কমিটি তেল, গ্যাস, কয়লা, সৌর ও বায়ুশক্তি—সব খাতকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিপিসির পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। 

অন্যদিকে বিরোধী দলের সদস্যরা আলাদাভাবে ১০টি সুপারিশ দেন। তাঁদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে জ্বালানি চাহিদা নিরূপণ, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার, কয়লার ব্যবহার বাড়ানো এবং দ্রুত ফলদায়ক গ্যাস কূপগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া। 

বিরোধী দলের সুপারিশে আরও বলা হয়, টেকসই জ্বালানি নীতির জন্য বিশেষজ্ঞ, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। 

জ্বালানি খাতে একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগোনোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন