শনিবার ১ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী দিনে প্রায় ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন, জানালেন মির্জা ফখরুল   হবিগঞ্জে প্রবেশমুখে পুলিশের বাধায় আটকে গেল এনসিপির গাড়িবহর  আগস্টেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, আলোচনার কেন্দ্রে মির্জা ফখরুল   হবিগঞ্জে বুধবার এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ, থাকবেন নাহিদ ইসলাম  রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আগের বা পরের অভিযোগে মামলা করা যাবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা  ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?   বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দল বলা অজ্ঞতার পরিচয়: মির্জা ফখরুল  ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে কাল সিইসির বৈঠক, আলোচনায় কী থাকছে?  বঙ্গভবন ছাড়লেন তাঁরা, নীরব বিদায়ে নতুন জল্পনা   গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে সরকারকে সহযোগিতা নয়: নাহিদ ইসলাম 

ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডমার্চ পৌঁছেছে বন্দরে, শুরু হয়েছে সমাবেশ 

জুন 28, 2025
ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডমার্চ পৌঁছেছে বন্দরে, শুরু হয়েছে সমাবেশ 

চারটি প্রধান দাবিকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু হওয়া রোডমার্চ আজ শনিবার বিকেল পৌনে পাঁচটায় পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরের ৪ নম্বর ফটকে। সেখানে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ সমাবেশ। সমাবেশে বক্তারা জোর দিয়ে বলেছেন—নিউমুরিং টার্মিনালসহ চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবস্থাপনা কোনোভাবেই বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। 

‘সাম্রাজ্যবাদবিরোধী দেশপ্রেমিক জনগণ’ ব্যানারে দেশের বামপন্থী দল ও সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত এই প্ল্যাটফর্মটি শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে রোডমার্চ কর্মসূচি শুরু করে। দুই দিনের এই কর্মসূচিতে পথে পথে সমাবেশ শেষে আজ চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় পৌঁছে শেষ সমাবেশে অংশ নেয় রোডমার্চের অংশগ্রহণকারীরা। 

সমাবেশে যে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে: 

  • চট্টগ্রাম বন্দরসহ সকল জাতীয় স্থাপনার ব্যবস্থাপনা বিদেশিদের হাতে না দেওয়া এবং তা রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে রাখা, 
  • স্টারলিংক, সমরাস্ত্র কারখানা ও করিডরের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সাম্রাজ্যবাদী সংঘাতের অংশ বানানোর প্রচেষ্টা বন্ধ করা, 
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ আধিপত্যবাদী দেশগুলোর সঙ্গে বিগত সরকারগুলোর সময় স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো প্রকাশ করা এবং 
  • জাতীয় স্বার্থবিরোধী অসম চুক্তিগুলো বাতিল করা। 

সমাবেশে অংশ নেওয়া কর্মীদের হাতে দেখা গেছে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল—‘ইন্টারিম সরকার সাম্রাজ্যবাদের পাহারাদার’, ‘বন্দর-করিডর বিদেশিদের দেব না’, ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল করো’, ‘মার্কিন-ভারত আধিপত্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ ইত্যাদি। আয়োজকরা জানিয়েছেন, সহস্রাধিক মানুষ এই কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নিয়েছেন। 

এর আগে, আজ সকালে রোডমার্চের বহর ফেনীতে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন করে। সেখানে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স চার দফা দাবি তুলে ধরেন এবং বলেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যে রয়েছে গণতন্ত্র, সাম্য ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা। এই আকাঙ্ক্ষাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা বরদাশত করা হবে না।” 

তিনি আরও বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র। এই বন্দর ইজারার মাধ্যমে বিদেশি কর্তৃত্বে গেলে তা হবে দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে। আমরা চাই, অন্তর্বর্তী সরকার এই পরিকল্পনা থেকে সরে আসুক। অন্যথায় আজকের সমাপনী সমাবেশ থেকে আমরা বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করব।” 

সমাবেশ শেষে কী কর্মসূচি আসছে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন