রবিবার ২ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে জামায়াতের একক অবস্থান, জোটে বাড়ছে আলোচনা  ফেরার পথ খুঁজছে আওয়ামী লীগ, ভরসা তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ইস্যুতে আজ বসছে বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠক   প্রধানমন্ত্রী দিনে প্রায় ১৮ ঘণ্টা কাজ করেন, জানালেন মির্জা ফখরুল   হবিগঞ্জে প্রবেশমুখে পুলিশের বাধায় আটকে গেল এনসিপির গাড়িবহর  আগস্টেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, আলোচনার কেন্দ্রে মির্জা ফখরুল   হবিগঞ্জে বুধবার এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ, থাকবেন নাহিদ ইসলাম  রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে আগের বা পরের অভিযোগে মামলা করা যাবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা  ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে ইসির বৈঠক, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?   বিএনপিকে ফ্যাসিবাদের দল বলা অজ্ঞতার পরিচয়: মির্জা ফখরুল 

হলে ভোট দিয়েছিলেন বড় ভাইকে, ফলাফলে একটিও ভোট নেই 

সেপ্টেম্বর 10, 2025
হলে ভোট দিয়েছিলেন বড় ভাইকে, ফলাফলে একটিও ভোট নেই 

২০২৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর, বুধবার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সদস্যপদের প্রার্থী মো. সজীব হোসাইন ভোটের ফলাফল নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। শহীদুল্লাহ হলের এই শিক্ষার্থী মধুর ক্যানটিনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে তার এলাকার পরিচিত মো. সম্রাট ইসলামকে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু ফলাফলে দেখা গেছে, সম্রাট ইসলাম ওই হলে একটিও ভোট পাননি, যা সজীবের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, “তাহলে আমার ভোট কোথায় গেল?” 

সজীব হোসাইনের অভিযোগ 

সংবাদ সম্মেলনে সজীব জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক নন এবং তিনটি পদে বিভিন্ন প্যানেলের তিনজন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। গত রাতে তিনি শুনেছেন যে জিএস পদে তার ভোট দেওয়া প্রার্থী শহীদুল্লাহ হলে কোনো ভোট পাননি। তিনি দাবি করেন, “ব্যালট বাতিল হলে তার কারণ উল্লেখ করা উচিত। আমি জানি কীভাবে ভোট দিতে হয়, তাই আমার ব্যালট বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা কম।” তিনি প্রশাসনের কাছে স্পষ্ট জবাব দাবি করেন, বলেন, “যদি ব্যালট বাতিল হয়, তা দেখাতে হবে। নইলে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা আমার এই ঘটনায় প্রমাণিত হবে।” শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ভোট সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করলে, আমার ব্যালট দেখানো হোক। তাহলে আমি তা মেনে নিতে প্রস্তুত।” 

রাকিব হোসেনের অভিযোগ 

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা রাকিব হোসেনও সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় শুরু থেকেই প্রশাসনের কার্যক্রম নিরপেক্ষতার মানদণ্ড পূরণ করেনি। 

নির্বাচনের ফলাফল 

চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, মো. সজীব হোসাইন কেন্দ্রীয় সদস্যপদে ৮২৭ ভোট পেয়েছেন, সাধারণ সম্পাদক পদে মো. সম্রাট ইসলাম ২৪ ভোট এবং রাকিব হোসেন ৫৬৯ ভোট পেয়েছেন। এই ফলাফল নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগগুলো ডাকসু নির্বাচনের স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও পড়ুন